প্রশ্নের বর্ণনা

a শ
b ষ
c স
d একটিও না
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স ১. কেন সঠিক: ব্রজবুলি মূলত কোনো অঞ্চলের কথ্য ভাষা নয়, এটি কৃত্রিম বা সৃষ্টি করা একটি কাব্যভাষা। বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসসহ মধ্যযুগের বহু পদকর্তা এই বিশেষ ভাষায় পদ রচনা করেছেন এবং এই ভাষায় উচ্চারণের সুবিধার্থে এবং ব্যাকরণগত নিয়মে তালব্য শ ও মূর্ধন্য ষ-এর ব্যবহার না করে কেবল দন্ত্য স ব্যবহার করার প্রচলন রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ব্রজবুলি ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ মূলত মিথিলা অঞ্চলে হলেও এটি বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা বর্ণমালায় তিনটি শ, ষ, স বর্ণ থাকলেও ব্রজবুলি ভাষায় মূর্ধন্য ষ এবং তালব্য শ-এর স্বতন্ত্র ব্যবহার নেই বললেই চলে এবং সব ক্ষেত্রে দন্ত্য স দিয়ে লেখার রীতি অনুসৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোচনের পদ ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের কবি লোচনদাস ব্রজবুলি ভাষায় অশাস্ত্রীয় বা কৃত্রিম এই মিশ্র ভাষায় পদ রচনা করেছেন। উদাহরণ ২: জ্ঞানদাসের পদ ব্যাখ্যা: পদাবলীকবি জ্ঞানদাস ব্রজবুলি ভাষায় শ্রীরাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে অসংখ্য পদ রচনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ — এটি একটি তালব্য বর্ণ এবং ব্রজবুলি ভাষার ব্যাকরণগত নিয়মে এই বর্ণটি প্রধানত ব্যবহার করা হয় না। B) ষ — এটি একটি মূর্ধন্য বর্ণ এবং ব্রজবুলি ভাষায় এই বর্ণটির ব্যবহার সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। D) একটিও না — যেহেতু সি অপশনে থাকা দন্ত্য স বর্ণটি ব্রজবুলি ভাষায় ব্যবহার করা হয়, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্রজবুলি ভাষার একটি মাত্র স অর্থাৎ দন্ত্য স ব্যবহার করা হয়, শ বা ষ নয়। এটি মনে রাখলে পরীক্ষাকলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ব্রজবুলি কোনো ভৌগোলিক অঞ্চলের মুখের ভাষা নয়, এটি মিথিলা ও বাংলার মিশ্রণে তৈরি কৃত্রিম কাব্যভাষা। বৈষ্ণব পদাবলি অধ্যয়নের সময় এই ভাষার ব্যাকরণগত বৈশিষ্ট্যগুলো ভালোভাবে জেনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0