প্রশ্নের বর্ণনা

a আঠারো
b উনিশ
c বিশ
d একুশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একুশ ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষার উপসর্গগুলোকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে খাঁটি বাংলা বা দেশি উপসর্গ একুশটি। - বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী এই একুশটি উপসর্গ সবসময় শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত না হয়ে শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ব্যাকরণে মোট উপসর্গ একুশটি, যেমন- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আর, আন, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা, হিজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনাদর ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ আদরের পূর্বে অনা উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পাতিহাঁস ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ হাঁসের পূর্বে পাতি উপসর্গ যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থ পরিবর্তন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আঠারো — এটি একটি সংখ্যাবাচক শব্দ, খাঁটি বাংলা উপসাগরের সংখ্যা এটি নয়। B) উনিশ — এটিও একটি সংখ্যাবাচক শব্দ, উপসর্গ বা অন্য কোনো ব্যাকরণিক পদের নির্দিষ্ট সংখ্যা নয়। C) বিশ — এটি একটি পূর্ণ সংখ্যাবাচক শব্দ, বাংলা উপসাগরের সংখ্যার সঙ্গে এর মিল নেই। D) একুশ — এটি সঠিক সংখ্যা, কারণ খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটিই রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি মনে রাখার জন্য সুপরিচিত পদ্যটি মনে রাখতে পারো। - অ অঘা অজ অনা আ আর আন ইতি উন কদ কু নি পাতি বি ভর রাম স সা সু হা হাভাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা এবং তৎসম বা সংস্কৃত উপসাগরের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। - মনে রাখবে, তৎসম উপসর্গ বিশটি এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0