প্রশ্নের বর্ণনা

a পাঁচটি
b সাতটি
c নয়টি
d এগারটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নয়টি ১. কেন সঠিক: - বিপ্রদাস পিপিলাই রচিত মনসামঙ্গল বা মনসাবিজয় কাব্যটি নয়টি পালায় বিভক্ত। - মনসা মঙ্গল কাব্যের আদি কবিদের মধ্যে বিপ্রদাস পিপিলাই অন্যতম একজন উল্লেখযোগ্য রচিয়তা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপ্রদাস পিপিলাই পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষভাগে বা ষোড়শ শতাব্দীর শুরুর দিকে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার প্রবীন কবি ছিলেন। - তাঁর রচিত মনসাবিজয় কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার মনসামঙ্গল বা পদ্মাপুরাণ শ্রেণীর একটি প্রামাণ্য ও প্রাচীন গ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনসামঙ্গল কাব্যধারার আদি কবি কে ব্যাখ্যা: মনসামঙ্গল ধারার আদি বা প্রথম প্রামাণ্য কবি হলেন কানা হরিদত্ত, যদিও তাঁর সম্পূর্ণ কাব্য পাওয়া যায়নি। উদাহরণ ২: বিজয় গুপ্তের মনসামঙ্গল কাব্যের নাম কী ব্যাখ্যা: বিজয় গুপ্তের রচিত মনসামঙ্গল কাব্যটি পদ্মাপুরাণ নামে সর্বাধিক পরিচিত ও সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাঁচটি — মনসাবিজয় কাব্যের পালার সংখ্যা পাঁচটি নয়, কারণ পালায় বিন্যাসের ক্ষেত্রে প্রাচীন নথিতে নয়টি পালার কথা উল্লেখ রয়েছে। B) সাতটি — সাতটি পালা মনসাবিজয় কাব্যের মোট বিন্যাস সংখ্যাকে নির্দেশ করে না, এটি ভুল তথ্য। C) নয়টি — এই অপশনটি সঠিক এবং বিপ্রদাস পিপিলাইয়ের মনসাবিজয় কাব্যের মোট পালার সংখ্যা নয়টি হিসেবে প্রমাণিত। D) এগারটি — এগারটি পালা মনসাবিজয় কাব্যের কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তাই এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিপ্রদাস পিপিলাইয়ের মনসাবিজয় কাব্যের পালার সংখ্যা মনে রাখতে নয় অঙ্কটি মনে রাখুন, কারণ তাঁর কাব্যের গঠন নয়টি পালায় বিভক্ত। - মঙ্গলকাব্যের প্রাচীন নিদর্শনগুলোর পালার সংখ্যা মনে রাখার জন্য কবি ও কাব্যের নাম একসাথে নোট করে রাখুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপ্রদাস পিপিলাইয়ের মনসাবিজয় কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার ইতিহাস জানতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মধ্যযুগের বিভিন্ন কবির কাব্যের পালা বা অংশের নাম জিজ্ঞাসা করা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0