প্রশ্নের বর্ণনা

a শেখ ফয়জুল্লাহ
b সৈয়দ আইনুদ্দিন
c আলাওল
d এরা প্রত্যেকেই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এরা প্রত্যেকেই ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিগণ হিন্দু ধর্মের কৃষ্ণ ও রাধার প্রেমভিত্তিক বৈষ্ণব পদ রচনা করেছেন যা মুসলিম কবিদের উদার মানসিকতার পরিচয় দেয়। - প্রদত্ত অপশনের শেখ ফয়জুল্লাহ, সৈয়দ আইনুদ্দিন ও আলাওল প্রত্যেকেই তাদের সাহিত্যকর্মে বৈষ্ণব পদ বা রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের পদ সফলভাবে রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিগণ লৌকিক ও ধর্মীয় গণ্ডির বাইরে এসে বৈষ্ণব পদাবলী সৃষ্টিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছিলেন। - আলাওল ও অন্যান্য মুসলিম কবিগণ সুফি তত্ত্বের প্রভাবে বৈষ্ণব পদ রচনা করেন যেখানে রাধা ও কৃষ্ণ যথাক্রমে জীবাত্মা ও পরমাত্মার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত কাজীর সতী ময়নামতি কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের অন্যতম বিখ্যাত মুসলিম কবির রচিত লৌকিক ও রোমান্টিক ধারার একটি অনন্য সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: সৈয়দ সুলতানের নবী বংশ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের দ্বারা রচিত ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক ধারার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাহিত্যিক নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ ফয়জুল্লাহ — ইনি মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি বৈষ্ণব পদ ছাড়াও সত্যপির ও গাজীর গান জাতীয় সাহিত্য রচনা করেছেন। B) সৈয়দ আইনুদ্দিন — ইনিও বৈষ্ণব পদ রচনা করেছেন ফলে শুধু একে সঠিক ধরলে বাকিরা বাদ পড়ে যায়। C) আলাওল — মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি যিনি পদ্মাবতী রচনার পাশাপাশি বৈষ্ণব পদও রচনা করেছেন। D) এরা প্রত্যেকেই — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লেখিত তিনজন কবিই বৈষ্ণব পদ রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের মুসলিম কবিরা বৈষ্ণব পদ রচনা করেছিলেন এটি মনে রাখতে শেখ ফয়জুল্লাহ, সৈয়দ আইনুদ্দিন ও আলাওল এই তিনজনের নাম একসঙ্গে মনে রাখুন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের বৈষ্ণব পদ রচনা সম্পর্কে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। একই ধরনের প্রশ্নে কবিদের নাম মনে রাখলে খুব সহজে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0