প্রশ্নের বর্ণনা

a উন্নত দেশসমূহ
b উন্নয়নশীল দেশসমূহ
c তেলপ্রধান দেশসমূহ
d এশিয়ার দেশসমূহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উন্নয়নশীল দেশসমূহ ১. কেন সঠিক: - স্নায়ুযুদ্ধকালীন রাজনীতি ও অর্থনীতিতে বিশ্বের দেশগুলোকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়েছিল যার মধ্যে তৃতীয় বিশ্ব বলতে অপেক্ষাকৃত কম উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোকে বোঝানো হয়। - এই পরিভাষাটি মূলত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন হওয়া সত্ত্বেও দারিদ্র্য ও অনুন্নয়নের শিকার এশিয়া, আফ্রিকা এবং ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি মূলত আন্তর্জাতিক রাজনীতি, সমাজবিজ্ঞান এবং সাধারণ জ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষাগত প্রশ্ন যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রায়ই আসে। - ১৯৫০ এর দশকে ফরাসি অর্থনীতিবিদ আলফ্রেড সভি প্রথম থার্ড ওয়ার্ল্ড বা তৃতীয় বিশ্ব শব্দটি ব্যবহার করেন যারা যুক্তরাষ্ট্র বা সোভিয়েত ইউনিয়ন কোনো পক্ষেই সরাসরি যুক্ত ছিল না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। ব্যাখ্যা: অর্থনৈতিক সূচকে অগ্রগতি অর্জন করায় বাংলাদেশ বর্তমানে তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশের একটি উপযুক্ত উদাহরণ। উদাহরণ ২: কেনিয়া আফ্রিকার একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র। ব্যাখ্যা: অর্থনৈতিকভাবে অনুন্নত ও সংঘাতের শিকার হওয়ায় কেনিয়াকে তৃতীয় বিশ্বের দেশ হিসেবে গণ্য করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্নত দেশসমূহ — এটি প্রথম বিশ্ব হিসেবে পরিচিত যারা অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। B) উন্নয়নশীল দেশসমূহ — এটি সঠিক কারণ তৃতীয় বিশ্ব বলতে মূলত অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা বা উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলোকে বোঝায়। C) তেলপ্রধান দেশসমূহ — তেলপ্রধান দেশগুলো মধ্যপ্রাচ্যের অন্তর্ভুক্ত এবং তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা শক্তিশালী হওয়ায় তাদের এই শ্রেণিতে ধরা হয় না। D) এশিয়ার দেশসমূহ — এশিয়া মহাদেশে জাপান বা সিঙ্গাপুরের মতো উন্নত দেশ রয়েছে, তাই শুধু এশিয়া বললেই তা তৃতীয় বিশ্ব হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রথম বিশ্ব হলো উন্নত মার্কিনপন্থী দেশ, দ্বিতীয় বিশ্ব হলো সমাজতান্ত্রিক দেশ এবং তৃতীয় বিশ্ব হলো অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সাধারণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পরিভাষার সঠিক অর্থ জেনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0