প্রশ্নের বর্ণনা

a নেপাল থেকে
b মোহামেডান লিটালারি সোসাইটি থেকে
c বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে
d ওপরের কোনটিই নয়
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্তری সম্পাদিত হাজার বছরের পুরানো বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং আদি কাব্যগ্রন্থ। হরপ্রসাদ শাস্তری নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাজার বছরের পুরানো বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা। ব্যাখ্যা: বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত প্রথম চর্যাপদের সংকলনের মূল নাম ছিল এটি। উদাহরণ ২: চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্ত। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত প্রাচীন ভাষ্যকার বা টিকাকার ছিলেন মুনিদত্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেপাল থেকে — নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কৃত হয়েছিল, কিন্তু প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশ সেখান থেকে হয়নি। B) মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি থেকে — এই প্রতিষ্ঠানটি চর্যাপদ প্রকাশনার সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত ছিল না। C) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ওপরের কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন সি সঠিক, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: আবিষ্কার হয়েছিল নেপাল থেকে, আর প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে। প্রকাশ সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ১৯১৬ সালে এটি প্রথম আলোর মুখ দেখে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্তری এবং প্রকাশকাল ১৯১৬ সাল। এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0