প্রশ্নের বর্ণনা

a ঝাড়খণ্ডী
b মান্দারী
c রেনেটি
d ক ও খ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক ও খ ১. কেন সঠিক: - ঝাড়খণ্ডী এবং মান্দারী উভয় কীর্তন গানই বর্তমানে বাংলা সংস্কৃতি থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। - প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা গান এবং কীর্তনের বিভিন্ন ধারার মধ্যে এই দুটি ধারা এখন আর প্রচলিত নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সঙ্গীতে কীর্তন একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারা যার মূল উৎস বৈষ্ণব পদাবলী। - ঐতিহাসিক নানা বিবর্তন ও সময়ের পরিবর্তনের ফলে কীর্তনের বহু শাখা যেমন ঝাড়খণ্ডী ও মান্দারী কালক্রমে হারিয়ে গেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন এবং এটিও একসময়ে অবলুপ্ত ছিল যা পরবর্তী সময়ে আবিষ্কৃত হয়। উদাহরণ ২: রামাই পণ্ডিতের শূন্যপুরাণ ব্যাখ্যা: এটিও প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের একটি অবলুপ্তপ্রায় ধারার ঐতিহাসিক নিদর্শন যা তৎকালীন সমাজ ও সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝাড়খণ্ডী — এটি সঠিক হলেও কেবল একা এটি সম্পূর্ণ উত্তর নয় কারণ মান্দারী কীর্তনও বিলুপ্ত হয়ে গেছে। B) মান্দারী — এটি সঠিক হলেও কেবল একা এটি সম্পূর্ণ উত্তর নয় কারণ ঝাড়খণ্ডী কীর্তনও বিলুপ্ত হয়ে গেছে। C) রেনেটি — এটি কোনো বিলুপ্ত কীর্তনের ধারা নয় বরং কীর্তনের প্রচলিত বা অন্য কোনো পরিচিত ধারার সঙ্গে এর সরাসরি মিল নেই। D) ক ও খ — এই অপশনটি ঝাড়খণ্ডী ও মান্দারী উভয় কীর্তনের বিলুপ্ত হওয়ার বিষয়টি একসঙ্গে নির্দেশ করায় এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঝাড়খণ্ডী ও মান্দারী উভয় কীর্তনই কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে বা বিলুপ্ত হয়েছে। - বিলুপ্ত কীর্তনের কথা মনে রাখতে ঝাড় ও মান্দা এই দুটি শব্দ একসঙ্গে স্মরণ রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের সঙ্গীতের ধারা ও কীর্তনের প্রকারভেদ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা সঙ্গীতের ইতিহাস পড়ার সময় কোন ধারাগুলো বর্তমানে প্রচলিত এবং কোনটি বিলুপ্ত তা আলাদা করে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0