প্রশ্নের বর্ণনা

a পূর্ণিমা রাত
b জ্যোৎস্না
c আনন্দের প্রাচুর্য
d কচিকাঁচার মেলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আনন্দের প্রাচুর্য ১. কেন সঠিক: - ‘চাঁদের হাট’ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে একসঙ্গে অনেক আনন্দিত মানুষের উপস্থিতি বা আনন্দের আধিক্য বোঝানো হয়। - প্রাত্যহিক জীবনে অনেক প্রিয়জন বা আত্মীয়স্বজন এক জায়গায় মিলিত হলে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা তাদের সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - ‘চাঁদের হাট’ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থে চাঁদের কোনো মেলা বোঝায় না, বরং রূপক অর্থে আনন্দ ও উল্লাসের জমায়েতকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জন্মদিনে বন্ধুদের পেয়ে বাড়িটিতে যেন চাঁদের হাট বসেছে। ব্যাখ্যা: এখানে অনেক বন্ধু একসঙ্গে একত্রিত হয়ে প্রচুর আনন্দ তৈরি করায় ‘চাঁদের হাট’ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পারিবারিক মিলনমেলায় স্বজনদের উপস্থিতিতে পুরো ঘরটি চাঁদের হাটে পরিণত হলো। ব্যাখ্যা: পরিবারের সব সদস্য একসঙ্গে মিলিত হওয়ার কারণে সেখানে আনন্দের প্রাচুর্য তৈরি হয়েছে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ণিমা রাত — এটি চাঁদের হাটের আক্ষরিক বা সাধারণ অর্থ হতে পারে, কিন্তু বাগধারার বিশেষ ভাবার্থ অনুযায়ী এটি সঠিক নয়। B) জ্যোৎস্না — জ্যোৎস্না হলো চাঁদের আলো, যা বাগধারার আনন্দের প্রাচুর্য বা জমায়েত অর্থকে প্রকাশ করে না। C) আনন্দের প্রাচুর্য — এটি সঠিক কারণ বাগধারাটির মূল ভাবার্থ হলো আনন্দ বা উল্লাসের সমাহার। D) কচিকাঁচার মেলা — কচিকাঁচার মেলা বলতে শিশুদের জমায়েত বোঝায়, যা সব বয়সের মানুষের আনন্দঘন মিলনমেলার সার্বিক অর্থ বহন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - চাঁদে অনেক আলো থাকে এবং মেলা বা হাটে অনেক মানুষ জমে, তাই চাঁদের হাট মানে অনেক মানুষের মিলন এবং আনন্দ। - বাগধারা পড়ার সময় আক্ষরিক অর্থের পরিবর্তে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা প্রমিত অর্থ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই সমার্থক ভাবার্থগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে শব্দের গভীরের অর্থ বা রূপক অর্থ বিবেচনা করে উত্তর নির্বাচন করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0