প্রশ্নের বর্ণনা

a কর কমল
b কাল স্রোত
c কর পল্লব
d কচুকাটা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাল স্রোত ১. কেন সঠিক: রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভিন্নতা বা একত্ব কল্পনা করা হয় এবং সাধারণ মধ্যপদ লোপ পায় না, বরং 'রূপ' শব্দটি যুক্ত থাকে। 'কাল স্রোত'-এর ব্যাসবাক্য হলো 'কাল রূপ স্রোত', যেখানে সময় ও স্রোতকে অভিন্ন কল্পনা করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদ ও উপমান পদের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হয়, তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। এতে সাধারণত ব্যাসবাক্যের মাঝখানে 'রূপ' শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি অত্যন্ত প্রচলিত উদাহরণ। উদাহরণ ২: ক্রোধ আগুন ব্যাখ্যা: ক্রোধ রূপ আগুন, এখানে ক্রোধ ও আগুনের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর কমল — এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস কারণ কর বা হাত হলো উপমেয় এবং কমল বা পদ্ম হলো উপমান। B) কাল স্রোত — সঠিক উত্তর, কারণ এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুসারে গঠিত। C) কর পল্লব — এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে হাতের সঙ্গে পল্লব বা পাতার তুলনা করা হয়েছে। D) কচুকাটা — এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস, যার ব্যাসবাক্য হলো কচুর মতো কাটা। ৫ মনে রাখার টিপস: রূপক কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে 'রূপ' শব্দ থাকে এবং সাধারণত বিমূর্ত ও মূর্ত ধারণার তুলনা করা হয়। বিষাদ সিন্ধু বা ক্রাধানল শব্দগুলোর মতো কাল স্রোত শব্দেও রূপ কল্পনা করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমিত, উপমান ও রূপক কর্মধারয় সমাসের মধ্যে প্রায়ই প্যাচ লাগে। ব্যাসবাক্যে 'রূপ' থাকলে চোখ বন্ধ করে রূপক কর্মধারয় সমাস দাগাবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0