প্রশ্নের বর্ণনা

a কর্মকারকে শুন্য বিভক্তি
b কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি
c অপাদান কারকে তৃতীয়া বিভক্তি
d কতৃকারকে শূন্য বিভক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্মকারকে শুন্য বিভক্তি ১. কেন সঠিক: - বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে। - এখানে কাকে ডাকবে প্রশ্নের উত্তরে ডাক্তার ডেকেছ বোঝানো হয়েছে, যা কর্মকারক নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যের ক্রিয়াকে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক হয়। - ডাক্তার শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি বা অ বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো। ব্যাখ্যা: এখানে ডাক্তার হলো কর্মকারক এবং এর সাথে কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি নেই তাই এটি শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: ফুল তুলছি। ব্যাখ্যা: কি তুলছি প্রশ্নের উত্তরে ফুল হলো কর্মকারক এবং শূন্য বিভক্তির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মকারকে শুন্য বিভক্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডাক্তার এখানে কর্মপদ এবং এতে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই। B) কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি — কর্মকারক হলেও সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন এ, য়, তে এখানে যুক্ত নেই তাই এটি ভুল। C) অপাদান কারকে তৃতীয়া বিভক্তি — অপাদান কারক মানে যা থেকে কিছু বিচ্যুত বা রক্ষিত হয় এবং তৃতীয়া বিভক্তির চিহ্ন এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কতৃকারকে শূন্য বিভক্তি — ডাক্তার নিজে কাজটি করছে না বরং তাকে ডাকার কথা বলা হয়েছে তাই এটি কর্তৃকারক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াকে কাকে বা কি দ্বারা প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা কর্মকারক হবে। - শব্দের সাথে বিভক্তি না থাকলে তাকে শূন্য বিভক্তি ধরে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য ক্রিয়াকে প্রশ্ন করার কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর। - কর্মকারকের ক্ষেত্রে প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দভেদে বিভক্তির প্রয়োগ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0