প্রশ্নের বর্ণনা

a হাঁটুজল
b আজকাল
c মাথাপিছু
d কবিগুরু
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাঁটুজল ১. কেন সঠিক: - হাঁটুজল শব্দটি কর্মধারয় সমাসঘটিত কারণ এর ব্যাসবাক্য হলো হাঁটু পর্যন্ত যে জল এবং এখানে জল বিশেষ্য পদের সঙ্গে হাঁটু বিশেষ্য পদের বিশেষ্য পদরূপে কর্মধারয় সমাস হয়েছে। - সমাসবদ্ধ পদে উপমান বা উপমিত কর্মধারয় সমাসের বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী মধ্যপদ লোপ পেয়েছে এবং এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হিসেবে গণ্য হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে বিশেষ্য-বিশেষণ কিংবা বিশেষ্য-বিশেষ্য সম্পর্ক থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত মাঝের পদ বা ব্যাসবাক্যের অংশ বিশেষ নিয়মে লুপ্ত হতে পারে, যা মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের ক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিড়ালতপা ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য বিড়ালের মতো তপস্বী যে, যা মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের একটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: পলান্ন ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য পোলাও মিশ্রিত অন্ন, যেখানে মধ্যের পদ মিশ্রিত লুপ্ত হয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাঁটুজল — সঠিক উত্তর, কারণ এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসঘটিত শব্দ। B) আজকাল — এটি অব্যয়ীভাব সমাস, কারণ এখানে কাল শব্দের সঙ্গে আ যুক্ত হয়ে সময় বা কাল অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস গঠিত হয়েছে। C) মাথাপিছু — এটি নিত্য সমাস বা বহুপ্রচলিত বিশেষ শব্দ গঠনরীতিতে সাধিত শব্দ, যা সাধারণ কর্মধারয় সমাসের নিয়মে পড়ে না। D) কবিগুরু — এটি রূপক কর্মধারয় সমাস, কারণ কবি ও গুরু এর মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হয়েছে এবং ব্যাসবাক্য কবি রূপ গুরু। ৫ মনে রাখার টিপস: - জল বা কোনো বস্তুর পরিমাপ বা সীমা বোঝাতে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়। - সমাসের ব্যাসবাক্য করার সময় যদি পর্যন্ত বা মতো শব্দ মাঝখানে উহ্য থাকে, তবে তা সাধারণত কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যের পদটি সমাসবদ্ধ পদে সম্পূর্ণ লোপ পায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই ব্যাসবাক্য ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0