প্রশ্নের বর্ণনা

a পরাগল খাঁ
b শ্রীকর নন্দী
c নসরত খাঁ
d কবীন্দ্র পরমেশ্বর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নসরত খাঁ ১. কেন সঠিক: - ছুটি খাঁর প্রকৃত নাম নসরত খাঁ এবং তিনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত মুসলিম পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। - সুলতানি আমলে চট্টগ্রামের শাসনকর্তা পরাগল খাঁর পুত্র ছুটি খাঁ ছোট ফেনী নদীর তীরে পরশুরাম অঞ্চলে নিজ নামে ছুটিখানপুর বা সুটিখানপুর পরগনা প্রতিষ্ঠা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে সুলতানি ও হোসেন শাহী আমলের মুসলিম শাসকদের সাহিত্য অনুরাগের কারণে অনেক মহাকাব্য ও অনুবাদ সাহিত্য রচিত হয়েছে। - শ্রীকরের মহাভারতের অংশ এবং কবীন্দ্র পরমেম্বরের মহাভারত ছুটি খাঁর আদেশেই অনূদিত ও রচিত হয়েছিল, যা মধ্যযুগের সাহিত্যের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছুটি খাঁর নির্দেশে কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারতের একাংশ বাংলায় অনুবাদ করেন। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের রাজন্যবর্গ বাংলা সাহিত্যের প্রসারে পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন যার অনন্য নিদর্শন কবীন্দ্র পরমেশ্বরের মহাভারত অনুবাদ। উদাহরণ ২: পরাগল খাঁর নির্দেশে শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অশ্বমেধ পর্ব বাংলায় অনুবাদ করেন। ব্যাখ্যা: পরাগল খাঁ ছিলেন ছুটি খাঁর পিতা এবং তিনিও বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরাগল খাঁ — ইনি ছুটি খাঁর পিতা ছিলেন এবং বাংলার একজন সেনাপতি ও শাসনকর্তা ছিলেন, তাই এটি সঠিক নাম নয়। B) শ্রীকর নন্দী — ইনি ছুটি খাঁর নির্দেশেই মহাভারত অনুবাদ করেছিলেন, তাই ইনি ছুটি খাঁ নন বরং একজন কবি ও অনুবাদক। D) কবীন্দ্র পরমেশ্বর — ইনিও ছুটি খাঁর সভাকবি বা নির্দেশপ্রাপ্ত কবি ছিলেন যিনি মহাভারতের প্রথম বাংলা অনুবাদকদের একজন। ৫ মনে রাখার টিপস: পিতা পরাগল খাঁ এবং পুত্র ছুটি খাঁ দুজনেই মহাভারত অনুবাদে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। পরাগল খাঁর পুত্র ছুটি খাঁর আসল নাম ছিল নসরত খাঁ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে পৃষ্ঠপোষকদের নাম এবং তাদের সভাকবিদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ছুটি খাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারত রচনা করেন এবং পরাগল খাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় শ্রীকর নন্দী মহাভারত অনুবাদ করেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0