প্রশ্নের বর্ণনা

a হাইফেন
b সেমিকোলন
c ড্যাশ
d কমা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেমিকোলন ১. কেন সঠিক: একাধিক স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্যের মধ্যে অর্থগত গভীর মিল থাকলে সেগুলোর সংযোগ রক্ষা করতে এবং কমার চেয়ে বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে। এটি দুটি সম্পূর্ণ বাক্যের মাঝে ভাব বা অর্থের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে বাক্যকে পৃথক করতে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন হলো সেমিকোলন বা অর্ধছেদ। বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য এবং একটি বড় বাক্যের অন্তর্গত স্বাধীন খণ্ডবাক্যগুলোকে আলাদা করার জন্য সেমিকোলনের ব্যবহার অপরিহার্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিনটি খুব ভালো কাটল না; সকালে বৃষ্টি আর বিকেলে যানজট। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্যের মাঝে অর্থের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় মাঝখানে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: পরিশ্রম করো; তবেই সাফল্য আসবে। ব্যাখ্যা: প্রথম খণ্ডবাক্যটি সম্পূর্ণ হওয়ার পরও দ্বিতীয় খণ্ডবাক্যের সঙ্গে এর গভীর অর্থগত সম্পর্ক বোঝাতে সেমিকোলন বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইফেন — সমাসবদ্ধ পদের সংযোগ বা একাধিক শব্দের সংযোগ বোঝাতে হাইফেন বসে, স্বাধীন বাক্য আলাদা করতে নয়। B) সেমিকোলন — এটি সঠিক উত্তর কারণ একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি বাক্যে লিখলে তাদের মাঝখানে সেমিকোলন বসে। C) ড্যাশ — বাক্যের মধ্যে ভাবের পরিবর্তন বা কোনো বিষয়ের বিস্তার বোঝাতে ড্যাশ ব্যবহৃত হয়। D) কমা — পদের সংযোগ বা অল্প বিরতির জন্য কমা বসে, তবে দীর্ঘ ও স্বাধীন খণ্ডবাক্যের সংযোগে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কমার চেয়ে একটু বেশি সময় থামতে হয় এবং দুটি বাক্যের অর্থ পরস্পরের পরিপূরক হলে সেমিকোলন ব্যবহার করবে। যতিচিহ্নের মধ্যে সেমিকোলনকে অর্ধছেদ বলা হয় এবং এটি কমার দ্বিগুণ সময় থামার নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যতিচিহ্নের বিরতিকাল ও সঠিক ব্যবহার থেকে প্রশ্ন আসে। সেমিকোলন সাধারণত কত সময় থামতে হয় এবং স্বাধীন বাক্যের সংযোগে কোন চিহ্ন বসে, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0