প্রশ্নের বর্ণনা

a কর্তায় শূন্য
b অপাদানে শূন্য
c কর্মে শূন্য
d করণে শূন্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্তায় শূন্য ১. কেন সঠিক: বাক্যে যার বা যাদের দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে কর্তা বা কর্তৃকারক বলে। এখানে 'নড়ে' ক্রিয়ার কাজটি সম্পন্ন করছে 'পাতা', আর 'পড়ে' ক্রিয়ার কাজটি সম্পন্ন করছে 'জল'। তাই 'জল' ও 'পাতা' উভয়ই কর্তৃকারক। শব্দটির সঙ্গে কোনো বিভক্তি বা অনুসর্গ দৃশ্যমান না থাকায় এটি প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সাথে কোনো চিহ্ন যুক্ত না থাকলে তাকে শূন্য বিভক্তি বা অ-বিভক্তি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যের ক্রিয়াকে কে বা কারা দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্তৃকারক। ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত পদগুলোর মধ্যে প্রধান হলো কর্তা। শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন তার সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদ গঠিত হয়। প্রথমা বিভক্তির ক্ষেত্রে শব্দের রূপের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং কোনো অতিরিক্ত বর্ণ যুক্ত হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি গান গায়। ব্যাখ্যা: এখানে গাওয়ার কাজ পাখি নিজেই করছে, তাই পাখি কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: ছেলেরা ফুটবল খেলছে। ব্যাখ্যা: খেলার কাজটি ছেলেরা করছে, তাই ছেলেরা কর্তৃকারকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় শূন্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ জল নিজে কাজ করছে এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি নেই। B) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারক হতে হলে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা রক্ষিত বোঝাতে হয়, যা এখানে নেই। C) কর্মে শূন্য — কর্ম কারক হতে হলে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝাতে হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) করণে শূন্য — করণ কারক হলো যার দ্বারা ক্রিয়া সাধিত হয় বা মাধ্যম বোঝায়, কিন্তু জল এখানে মাধ্যম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্তা। শব্দের শেষে কোনো বিভক্তির চিহ্ন না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক বের করতে হবে। এরপর শব্দের রূপ দেখে বিভক্তি নির্ধারণ করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0