প্রশ্নের বর্ণনা

a কৃ+তব্য
b কর+তব্য
c কার+তব্য
d করি+তব্য
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃ+তব্য ১. কেন সঠিক: সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সাথে যুক্ত হওয়া প্রত্যয় যা সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে সাধিত হয়। এখানে 'কৃ' হলো সংস্কৃত ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং 'তব্য' হলো সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব প্রত্যয় সংস্কৃত ধাতু বা ক্রিয়ামূলের পরে যুক্ত হয়ে নতুন পদ গঠন করে, সেগুলোকে সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় বলে। বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে এই নিয়ম ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √গম + তব্য = গন্তব্য ব্যাখ্যা: এখানে 'গম' সংস্কৃত ধাতু এবং 'তব্য' প্রত্যয় মিলে গন্তব্য শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: √দ্রশ + তব্য = দ্রষ্টব্য ব্যাখ্যা: এটিও সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়ের নিয়মে সাধিত একটি প্রমিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃ+তব্য — এটি সঠিক কারণ এতে সংস্কৃত ধাতু ও সংস্কৃত প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে। B) কর+তব্য — এটি ভুল কারণ 'কর' হলো বাংলা বা প্রাকৃত ধাতু, সংস্কৃত ধাতু হলো 'কৃ'। C) কার+তব্য — এটি ভুল কারণ 'কার' কোনো মূল ধাতু নয়, এটি কৃ ধাতুর পরিবর্তিত রূপ। D) করি+তব্য — এটি ভুল কারণ 'করি' সাধিত রূপ বা বিভক্তিযুক্ত রূপ, মূল সংস্কৃত ধাতু নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় চেনার জন্য মূল ধাতুটিকে সংস্কৃত নিয়মের হতে হবে। যেমন কৃ, গম, ভুজ ইত্যাদি ধাতু সবসময় সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় গ্রহণ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতুর রূপ ও প্রত্যয় আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই মূল ধাতু এবং প্রত্যয় আলাদা করার সময় ধাতুর সংস্কৃত রূপটি ভালোভাবে চিনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0