প্রশ্নের বর্ণনা

a অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি
b করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
c অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
d কর্ম কারকে সপ্তমী বিভক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি ১. কেন সঠিক: পাপ থেকে বিরত থাকো অর্থে এখানে তিল বা বিচ্যুতি বোঝানো হয়েছে। কোনো কিছু থেকে বিচ্যুত, জাত, বিরত, রক্ষিত বা ভয় উৎপন্ন হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, দূর, উৎপন্ন বা যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। বিরত শব্দের সাথে এ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা ঝরে পড়া বা বিচ্যুত হওয়া বোঝানো হয়েছে বলে এটি অপাদান কারক। উদাহরণ ২: বনে বাঘের ভয় আছে। ব্যাখ্যা: বাঘকে ভয় পাওয়া বা ভয়ের উৎস বোঝানোর কারণে এটি অপাদান কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে পাপ থেকে বিরত থাকার দূরত্ব বা বিচ্যুতি বোঝানো হয়েছে এবং এতে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত আছে। B) করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি — করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র, সহায়ক বা মাধ্যম বোঝায়, যা এখানে নেই। C) অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি — অধিকরণ কারক দ্বারা স্থান বা কাল বোঝায়, যা এখানে অনুপস্থিত। D) কর্ম কারক ও সপ্তমী বিভক্তি — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, এখানে তা বোঝাচ্ছে না। ৫. মনে রাখার টিপস: কোথাও থেকে বিচ্যুতি, জাত, বিরত, রক্ষা ও ভয় পেলে অপাদান কারক হয়। বিরত থাকলে সাধারণত অপাদান কারক ধরতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই অপাদান কারক চেনার জন্য বিরত, জাত ও রক্ষা পাওয়ার শব্দগুলো দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। এই শব্দগুলো দেখলে প্রথমে অপাদান কারক বিবেচনা করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0