প্রশ্নের বর্ণনা

a কর্তৃবাচ্যের
b কর্মবাচ্যের
c ভাববাচ্যের
d কর্ম-কর্তৃবাচ্যের
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাববাচ্যের ১. কেন সঠিক: যে বাচ্যে কর্তা বা কর্মের প্রধান্য না বুঝে ক্রিয়ার অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয় এবং ক্রিয়াপদটি সর্বদাই প্রথম পুরুষের হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে। এই বাক্যে নির্দিষ্ট কোনো কর্তার উল্লেখ নেই এবং গান হওয়ার কাজটিই এখানে প্রধান হয়ে উঠেছে, তাই এটি ভাববাচ্যের উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাববাচ্যে সাধারণত কর্ম থাকে না এবং ক্রিয়ার অর্থই মূখ্য হয়। বাক্যের কর্তাটি অনেক সময় উহ্য থাকে বা গৌণ কারক হিসেবে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমাকে যেতে হবে। ব্যাখ্যা: এখানে যাওয়ার কাজটি প্রধান এবং তোমার প্রতি নির্দেশ বোঝাচ্ছে, তাই এটি ভাববাচ্য। উদাহরণ ২: আমার খাওয়া হলো না। ব্যাখ্যা: এখানে খাওয়ার অসমাপ্তি প্রকাশ পেয়েছে এবং ক্রিয়াই বাক্যের মূল ভাব প্রকাশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃবাচ্যের — এই বাচ্যে কর্তার প্রাধান্য থাকে এবং ক্রিয়া কর্তার পুরুষ অনুযায়ী গঠিত হয়, কিন্তু এই বাক্যে তা নেই। B) কর্মবাচ্যের — এই বাচ্যে কর্মের প্রাধান্য থাকে এবং কর্মটি প্রধান হয়ে ওঠে, কিন্তু এখানে কোনো নির্দিষ্ট কর্ম নেই। D) কর্ম-কর্তৃবাচ্যের — এই বাচ্যে কর্ম নিজেই কর্তার কাজ করে, যেমন শাঁখ বাজে, যা এই বাক্যের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যে কর্তা বা কর্ম অপ্রধান থেকে যদি কেবল ক্রিয়ার ভাব বা কাজটাই মূল বিষয় হিসেবে প্রকাশ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে ভাববাচ্য দাগাবে। ভাববাচ্যের ক্রিয়াপদ সাধারণত নামপুরুষ বা প্রথম পুরুষের হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাচ্য পরিবর্তনের নিয়ম এবং বিভিন্ন বাচ্যের উদাহরণ প্রায়ই আসে। বাক্যে কর্মের উপস্থিতি না থাকলে এবং ক্রিয়ার অর্থ প্রধান হলে তা সাধারণত ভাববাচ্য হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0