প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বিগু
b বহুব্রিহী
c তৎপুরুষ
d কর্মধারয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বহুব্রিহী ১. কেন সঠিক: - মহান যে আত্মা এই ব্যাসবাক্যে সমস্যমান পদ দুটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য একটি বিশেষ অর্থ অর্থাৎ মহৎ বা উদার মনের মানুষকে বোঝানো হয়েছে। - বহুব্রিহী সমাসের সংজ্ঞানুযায়ী যে সমসে সমাসমান পদের অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রিহী সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য থাকে না, বরং সম্পূর্ণ নতুন বা অন্য কোনো অর্থ প্রকাশিত হয়, তাকে বহুব্রিহী সমাস বলে। - মহান এবং আত্মা পদ দুটি মিলে যখন একজন মহৎ ব্যক্তি বা মহান আত্মা সম্পন্ন মানুষকে নির্দেশ করে, তখন এটি সমানাধিকরণ বহুব্রিহী সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীল যে লোহিত = নীল লোহিত (বহুব্রিহী সমাস) ব্যাখ্যা: এখানে নীল ও লোহিত পদের অর্থ না বুঝিয়ে একটি বিশেষ নাম বা অন্য কিছুকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: পীত অম্বর যার = পীতাম্বর (বহুব্রিহী সমাস) ব্যাখ্যা: এখানে পীত ও অম্বর পদের স্বতন্ত্র অর্থ বজায় না থেকে বিষ্ণু বা শ্রীকৃষ্ণকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগু — এই সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হয়, যা এখানে নেই। B) বহুব্রিহী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি ব্যাসবাক্যের নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি মিলে যায়। C) তৎপুরুষ — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কর্মধারয় — এই সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে অন্য অর্থ বোঝায় বলে এটি কর্মধারয় হবে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্য করার পর যদি এমন কোনো অর্থ দাঁড়ায় যা বাইরে থেকে কাউকে বা অন্য কিছুকে নির্দেশ করছে, তবে চোখ বন্ধ করে বহুব্রিহী সমাস দাগাবে। - মহাত্মা শব্দের মতো মহান বা মহৎ শব্দ দিয়ে গঠিত বিশেষ পদগুলো সাধারণত সমানাধিকরণ বহুব্রিহী সমাস হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বহুব্রিহী সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে শব্দটি থাকা। - কর্মধারয় এবং বহুব্রিহী সমাসের মধ্যে পার্থক্য করতে হলে দেখতে হবে পদের নিজ অর্থ প্রধান নাকি অন্য কোনো অর্থ প্রধান।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0