প্রশ্নের বর্ণনা

a তৎপুরুষ
b বহুব্রীহি
c দ্বন্দ্ব
d কর্মধারয়
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - জজসাহেব শব্দটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত কারণ এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের যোগে পদের সৃষ্টি হয়েছে। - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝানো হয় এবং এখানে সাহেব প্রধান পদ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদ বিশেষণ ও পরপদ বিশেষ্য হয় তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - জজসাহেব এর ব্যাসবাক্য হলো যিনি জজ তিনিই সাহেব, যা মধ্যপদলপী বা সাধারণ কর্মধারয় নিয়মে নিষ্পন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাজন ব্যাখ্যা: মহান যে জন, এটি কর্মধারয় সমাসের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণ মিলে নতুন অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদরূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে উপমেয় ও উপমানের মাঝে অভেদ কল্পনা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা জজসাহেব শব্দের গঠনে প্রযোজ্য নয়। B) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ বোঝায় না বরং সম্পূর্ণ নতুন কোনো তৃতীয় অর্থ প্রকাশ করে, যা এখানে নেই। C) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ সমানভাবে প্রধান থাকে, কিন্তু জজসাহেব শব্দে পদের অর্থের এই সমতা নেই। D) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে গঠিত সাধারণ কর্মধারয় সমাসের নিয়ম মেনে চলে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যিনি তিনি বা যে সে যোগে ব্যাসবাক্য হলে এবং পরপদ প্রধান হলে চোখ বুজে কর্মধারয় সমাস দাগাবে। - পদ দুটি একই ব্যক্তিকে বোঝালে সাধারণ কর্মধারয় সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপাধিসূচক শব্দ যেমন জজসাহেব, ডাক্তারবাবু প্রায়ই কর্মধারয় সমাস হিসেবে আসে। - ব্যাসবাক্য করার সময় যিনি জজ তিনিই সাহেব এই কাঠামো মনে রাখলে উত্তর বের করা সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0