প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বিগু
b তৎপুরুষ
c বহুব্রীহি
d কর্মধারয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - এতিমখানা শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো এতিমের খানা। এখানে পূর্বপদ এতিম এবং পরপদ খানা। - ষষ্ঠী বিভক্তির (এর) লোপ পেয়ে সমাসটি গঠিত হয়েছে বলে এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - এতিমখানা শব্দে এতিম শব্দের সাথে এর বিভক্তি যুক্ত হয়ে খানা বা ঘরের সাথে সম্বন্ধ পদ তৈরি করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাত্রাবাস ব্যাখ্যা: ছাত্রদের আবাস, এখানে ষষ্ঠী বিভক্তি লোপ পেয়ে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: পাঠাগার ব্যাখ্যা: পাঠের আগার, এটিও ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বোঝায় এবং পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয়, কিন্তু এতিমখানা শব্দে কোনো সংখ্যাবাচক শব্দ নেই। B) তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায়, যা এতিমখানা শব্দে ঘটে না। D) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন ঘটে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে সম্বন্ধ পদ রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আশ্রয় বা ঘর বোঝাতে খানা যুক্ত শব্দ সাধারণত ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়। - ব্যাসবাক্য করার সময় এর বা দিগের বিভক্তি ব্যবহার করে দেখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্থানবাচক বা ঘরবাচক শব্দ যেমন চিকিৎসালয়, অতিথিশালা প্রায়ই আসে। - এই শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য নির্ণয় করে তৎপুরুষ সমাস চিহ্নিত করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0