প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বিগু
b তৎপুরুষ
c বহুব্রীহি
d কর্মধারয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - জ্যোৎস্নারাত শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো জ্যোৎস্না শোভিত রাত বা জ্যোৎস্নাযুক্ত রাত, যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে কর্মধারয় সমাস হয়েছে। - এখানে রাত হলো প্রধান পদ বা বিশেষ্য এবং জ্যোৎস্না হলো তার বিশেষণের কাজ করেছে, যা কর্মধারয় সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য কিংবা পূর্বপদে বিশেষ্য ও পরপদে বিশেষণ অথবা উভয় পদে বিশেষণ বা বিশেষ্য যুক্ত হয়ে সমাস হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত তুলনা বা রূপক বোঝায় না, বরং একটি পদ অন্য পদের বিশেষ্য বা গুণ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঁচকলা ব্যাখ্যা: কাঁচা যে কলা, এখানে কাঁচা হলো বিশেষণ এবং কলা হলো বিশেষ্য, যা কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদরূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে বিষাদের সঙ্গে সিন্ধুর রূপক তুলনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাসবদ্ধ পদটি সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং এর পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয়, যা জ্যোৎস্নারাত শব্দে নেই। B) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্বন্ধ রয়েছে। C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায়, যা জ্যোৎস্নারাত শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে একটি নতুন পদ গঠিত হয়েছে যার পরপদের অর্থ প্রধান। ৫ মনে রাখার টিপস: - যে সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যে যে বা রূপ কিংবা মত শব্দ থাকে না এবং সাধারণ গুণ বা অবস্থা বোঝায়, তা সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। - বিশেষ্য ও বিশেষণের মিল খুঁজে পেলে প্রথমে কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিন্তা করা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দ প্রায়ই আসে যেখানে রাত, দিন বা ঋতুবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য যুক্ত থাকে। - ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় পদের পারস্পরিক সম্পর্ক খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0