প্রশ্নের বর্ণনা

a নদীয়া
b নবদ্বীপ
c বাঁকুড়া
d কাঁকিল্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নবদ্বীপ ১. কেন সঠিক: শ্রী চৈতন্যদেব ১৪৮৬ খ্রিস্টাব্দের ফাল্গুনী পূর্ণিমার দৌলপূর্ণিমার সন্ধিক্ষণে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার নবদ্বীপ ধামে জন্মগ্রহণ করেন। নবদ্বীপ তাঁর জন্মস্থান হিসেবে বৈষ্ণব সাহিত্য ও ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত এবং সর্বজনস্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রী চৈতন্যদেব বৈষ্ণব ধর্মের ভক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রচারক এবং গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্মের প্রবর্তক ছিলেন। তাঁর শৈশবের নাম ছিল নিমাই বা বিশ্বম্ভর এবং তাঁর পিতার নাম শ্রী জগন্নাথ মিশ্র ও মাতার নাম শচীদেবী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রী চৈতন্যদেবের পূর্বাশ্রমের নাম বিশ্বম্ভর মিশ্র। ব্যাখ্যা: সন্ন্যাস গ্রহণের পূর্বে তিনি এই নামেই পরিচিত ছিলেন এবং ভক্তরা তাঁকে নিমাই বলেও ডাকতেন। উদাহরণ ২: চৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থটি শ্রী চৈতন্যদেবের জীবনের ওপর রচিত সবচেয়ে প্রামাণিক জীবনীগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন যা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অমূল্য সম্পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদীয়া — নদীয়া হলো একটি বৃহত্তর জেলা, যার একটি নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক ও প্রধান শহর হলো নবদ্বীপ। C) বাঁকুড়া — বাঁকুড়া পশ্চিমবঙ্গের একটি আলাদা জেলা, যার সঙ্গে শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মের কোনো সম্পর্ক নেই। D) কাঁকিল্যা — কাঁকিল্যা বা কাকড়িয়া শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মস্থান নয় এবং এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অপপ্রাসঙ্গিক। ৫ মনে রাখার টিপস: শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মস্থান মনে রাখার জন্য নদীয়া জেলার বিখ্যাত শহর নবদ্বীপ নামটি মনে রাখতে হবে। ভক্তি আন্দোলনের এই মহামানব নবদ্বীপের মাটিতেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মসাল, জন্মস্থান এবং তাঁর উপাধি বা পূর্বাশ্রমের নাম প্রায়ই আসে। মধ্যযুগের সাহিত্যের ইতিহাসে বৈষ্ণব পদাবলি এবং চৈতন্যদেব সম্পর্কিত প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0