প্রশ্নের বর্ণনা

a কাঁদন+আ
b কান+না
c কাঁদ+না
d কাঁদা+না
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাঁদ+না ১. কেন সঠিক: - ‘কান্না’ একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ যা ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। - এখানে ‘কাঁদ’ হলো ক্রিয়ামূল বা ধাতু এবং এর সঙ্গে ‘না’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘কান্না’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য বা কৃদন্ত পদ গঠন করে, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। - ‘কাঁদ’ ধাতুটি ক্রিয়ার মূল রূপ, যার সঙ্গে ‘না’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কাজের ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চড় + না = চড়না ব্যাখ্যা: ‘চড়’ ধাতুর সঙ্গে ‘না’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ধর্ + না = ঝরনা ব্যাখ্যা: ‘ঝর্’ ধাতুর সঙ্গে ‘না’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রবহমান জলের ভাব প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঁদন+আ — এটি সঠিক গঠন নয় কারণ ‘কাঁদন’ নিজেই একটি সাধিত শব্দ এবং এর সঙ্গে অতিরিক্ত ‘আ’ প্রত্যয় যুক্ত হলে সঠিক শব্দ হয় না। B) কান+না — ‘কান’ শরীরের একটি অঙ্গ বা বিশেষ্য পদ, কোনো ধাতুর মূল রূপ নয়, তাই এর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কান্না হয় না। C) কাঁদ+না — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কারণ ‘কাঁদ’ ধাতু এবং ‘না’ প্রত্যয় মিলে ‘কান্না’ গঠিত হয়। D) কাঁদা+না — ‘কাঁদা’ একটি পূর্ণাঙ্গ ক্রিয়াপদ বা বিশেষ্য, এর সঙ্গে পুনরায় ‘না’ প্রত্যয় যুক্ত করে ‘কান্না’ গঠন করা ব্যাকরণসম্মত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়ামূল চেনার সহজ উপায় হলো আদেশমূলক রূপ দেখা যেমন তুই কাঁদ, তাই ধাতুটি হলো ‘কাঁদ’। - ধাতুর সঙ্গে ‘না’ প্রত্যয় যুক্ত শব্দগুলো সাধারণত ভাববাচক বিশেষ্য নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃৎ প্রত্যয় থেকে প্রায়ই ভাববাচক বিশেষ্যের প্রশ্ন আসে। - ধাতু চেনার জন্য ক্রিয়ার রূপকে তুই বা তুমি দিয়ে আদেশ করে দেখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0