প্রশ্নের বর্ণনা

a ইছামতী
b চাঁদের অমাবস্যা
c অহিংস
d কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাঁদো নদী কাঁদো ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাসে মুহম্মদ মুস্তাফার জীবনালেখ্য পাওয়া যায়। - উপন্যাসের চরিত্র মুহম্মদ মুস্তাফা একজন স্কুলশিক্ষক যিনি গ্রামীণ সমাজের অবক্ষয় ও মানুষের জটিল মনস্তত্ত্বের প্রতীক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত আধুনিক কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার। - তার কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাসটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি অস্তিত্ববাদ ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালসালু উপন্যাস। ব্যাখ্যা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম ও সবচেয়ে জনপ্রিয় উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের অন্ধবিশ্বাস ও অজ্ঞতা নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যেখানে অপরাধবোধ ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইছামতী — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত নদীভিত্তিক উপন্যাস, যেখানে মুহম্মদ মুস্তাফার জীবনালেখ্য নেই। B) চাঁদের অমাবস্যা — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস হলেও এতে প্রধান চরিত্র আরেফ আলী এবং মুহম্মদ মুস্তাফার জীবনালেখ্য এখানে নেই। C) অহিংস — এটি কোনো প্রখ্যাত বাংলা উপন্যাস নয়, তাই এখানে এই চরিত্রের অস্তিত্বের প্রশ্নই আসে না। D) কাঁদো নদী কাঁদো — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে মুহম্মদ মুস্তাফার জীবনালেখ্য ও তার জীবনের নানা দিক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের চরিত্র মনে রাখার জন্য লেখকের প্রধান তিনটি উপন্যাস লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা এবং কাঁদো নদী কাঁদো ভালোভাবে পড়তে হবে। - কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাসের সঙ্গে শিক্ষক মুহম্মদ মুস্তাফার নাম এভাবে মনে রাখা যায় যে ওয়ালীউল্লাহর সবচেয়ে জটিল মনস্তাত্ত্বিক চরিত্র এটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসগুলোর নাম ও চরিত্র থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে লালসালু উপন্যাসের মজিদ এবং কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাসের মুহম্মদ মুস্তাফা চরিত্রটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0