প্রশ্নের বর্ণনা

a দেওয়ানা মদিনা
b মহুয়া
c মলুয়া
d কাজল রেখা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মহুয়া ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি বাংলা লোকসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত মহুয়া পালার একটি বিখ্যাত অংশ। - নায়িকা মহুয়ার রূপ ও জলের মধ্যে তার ঢেউ তোলার দৃশ্য এবং অভিমানী সুর এই পঙ্ক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহুয়া পালাটি ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত বিখ্যাত ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত একটি জনপ্রিয় প্রণয়োপাখ্যান। - এই পালার মূল রচয়িতা হিসেবে দ্বিজ কানাইয়ের নাম পাওয়া যায় যিনি ময়মনসিংহের কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের কবি ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঞ্চন নদীর বাঁকে বসিয়া কান্দে মহুয়া সুন্দরী ব্যাখ্যা: এটি মহুয়া পালার আরেকটি বিখ্যাত পঙ্ক্তি যা নায়িকার দুঃখের প্রকাশ। উদাহরণ ২: আষাঢ় মাসে ঢল নামিছে নদী ভরিয়া যায় ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকার পালায় গ্রামীণ প্রকৃতি ও নদীর বর্ণনা এভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেওয়ানা মদিনা — এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার একটি পালা যার রচয়িতা মনসুর বয়াতি কিন্তু উদ্ধৃত পঙ্ক্তিটি এই পালার নয়। B) মহুয়া — এটি সঠিক উত্তর। C) মলুয়া — চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম প্রধান পালা মলুয়া হলেও এই পঙ্ক্তিটি তার নয়। D) কাজল রেখা — মৈমনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত কাজল রেখা পালার কাহিনী সম্পূর্ণ আলাদা ধরনের রূপকথামূলক। ৫ মনে রাখার টিপস: জল ভরা নদী বা জলে ঢেউ খেলার দৃশ্য ময়মনসিংহ গীতিকার মহুয়া পালার সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি মানানসই। দ্বিজ কানাই রচিত মহুয়া পালায় জল ও নদীর পটভূমি বারবার এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ময়মনসিংহ গীতিকার সংকলক ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন এবং এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ময়মনসিংহ গীতিকার পালা এবং সেগুলোর রচয়িতা বা চরিত্রের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0