প্রশ্নের বর্ণনা

a বিভূতিভূষণকে বন্দ্যোপাধ্যায়কে
b বিহারীলাল চক্রবর্তীকে
c মোজাম্মেল হককে
d কাজী ইমদাদুল হককে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মোজাম্মেল হককে ১. কেন সঠিক: - কবি মোজাম্মেল হক তাঁর সাহিত্যকর্ম এবং শান্তিপুর অঞ্চলের সঙ্গে গভীর সংযোগের কারণে 'শান্তিপুরের কবি' হিসেবে পরিচিত লাভ করেছেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন কবির উপাধি ও ছদ্মনাম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে, যার মধ্যে মোজাম্মেল হকের এই উপাধিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি মোজাম্মেল হক মূলত উনিশ শতকের শেষের দিককার এবং বিশ শতকের শুরুর দিকের একজন মুসলিম সাহিত্যিক ও কবি। - তাঁর সাহিত্যকর্মে তৎকালীন সমাজচিত্র, নৈতিকতা এবং ঐতিহ্যের প্রভাব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্দীনকে 'পল্লীকবি' বলা হয়। ব্যাখ্যা: তাঁর কবিতায় পল্লীর রূপ ও মানুষের জীবন নিখুঁতভাবে ফুফুটে ওঠার কারণে তাঁকে এই উপাধি দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: বন্দে আলী মিয়াকেও 'পল্লীকবি' বলা হয়। ব্যাখ্যা: পল্লিপ্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভূতিভূষণকে বন্দ্যোপাধ্যায়কে — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, তাঁকে 'শান্তিপুরের কবি' বলা হয় না। B) বিহারীলাল চক্রবর্তীকে — তিনি বাংলা গীতিকবিতার ভোরের পাখি নামে পরিচিত, মোজাম্মেল হক নন। C) মোজাম্মেল হককে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। D) কাজী ইমদাদুল হককে — তিনি 'খোদাবখস্' ও 'আন্দাঞ্জল' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, শান্তিপুরের কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মোজাম্মেল হক নামের সঙ্গে শান্তিপুর এলাকাটিকে যুক্ত করে একটি ছন্দ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিভিন্ন কবির উপাধি এবং ছদ্মনামগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0