প্রশ্নের বর্ণনা

a বঙ্কিমচন্দ্রকে
b শরৎচন্দ্রকে
c রবীন্দ্রনাথকে
d কাজী নজরুলকে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্কিমচন্দ্রকে ১. কেন সঠিক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলার স্কট বলা হয় কারণ তিনি বাংলা উপন্যাসে ঐতিহাসিক রোমান্স ধারার প্রবর্তন করেন। স্কটল্যান্ডীয় ঔপন্যাসিক স্যার ওয়াল্টার স্কট যেভাবে ইউরোপীয় ইতিহাসে রোমাঞ্চকর উপন্যাস লিখেছিলেন, বঙ্কিমচন্দ্রও ঠিক তেমনি বাংলার ইতিহাস ও জনপদের পটভূমিতে ঐতিহাসিক উপন্যাস রচনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে সমাদৃত। তিনি ১৮৬৫ সালে প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী রচনা করেন। তার ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলোর মধ্যে রাজসিংহ, সীতারাম ও আনন্দমঠ অত্যন্ত বিখ্যাত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাস রাজসিংহ। ব্যাখ্যা: এটি মোঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব এবং মেবারের রাজা রাজসিংহের বিরোধের পটভূমিতে রচিত একটি নিখুঁত ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর ঐতিহাসিক উপন্যাস আনন্দমঠ। ব্যাখ্যা: সন্ন্যাসী বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসে ভারতের জাতীয় সংগীত বন্দে মাতরম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্রকে — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যে ঐতিহাসিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে স্যার ওয়াল্টার স্কটের সমতুল্য মর্যাদা লাভ করেছেন। B) শরৎচন্দ্রকে — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মূলত সমাজসচেতন ও মানুষের অন্তরের অন্তস্থলের কথা ফুটিয়ে তোলার জন্য পরিচিত, তাকে ঐতিহাসিক উপন্যাসকার বলা হয় না। C) রবীন্দ্রনাথকে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এবং বিশ্বকবি হলেও তাকে বাংলার স্কট উপাধিতে ভূষিত করা হয়নি। D) কাজী নজরুলকে — কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত, ঔপন্যাসিক বা বাংলার স্কট হিসেবে তিনি পরিচিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: স্যার ওয়াল্টার স্কট এবং বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় উভয়ের নামেই ঐতিহাসিক উপন্যাস রচনার খ্যাতি জড়িত আছে। স্কট ও বঙ্কিম এই দুটি নামের মিল করলেই উত্তর সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের জনক এবং ঐতিহাসিক উপন্যাসের প্রবক্তা উভয় ক্ষেত্রেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সাহিত্যিক উপাধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0