প্রশ্নের বর্ণনা

a বিজয় দত্ত
b ময়ূর ভট্ট
c মানিক দত্ত
d কানা হরিদত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কানা হরিদত্ত ১. কেন সঠিক: মনসামঙ্গল কাব্যের আদি বা প্রথম কবি হিসেবে কানা হরিদত্তের নাম সর্বস্বীকৃত। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং দীনেশচন্দ্র সেনের মতো পন্ডিতগণ তাঁর নাম উল্লেখ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম ধারা হলো মঙ্গলকাব্যের মধ্যে মনসামঙ্গল কাব্য। সর্পদেবী মনসার পূজা প্রচার এবং তাঁর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে এই কাব্যধারা রচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিজয় গুপ্ত রচিত পদ্মপুরাণ ব্যাখ্যা: এটি মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং জনপ্রিয় একটি নিদর্শন। উদাহরণ ২: কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ রচিত মনসামঙ্গল ব্যাখ্যা: এটিও মনসামঙ্গল কাব্যধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সুপরিচিত সংযোজন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয় দত্ত — এই নামে মনসামঙ্গল কাব্যের কোনো আদি কবির অস্তিত্ব ইতিহাসে পাওয়া যায় না। B) ময়ূর ভট্ট — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি নন, তবে এই ধারার একজন প্রাচীন কবি হিসেবে পরিচিত। C) মানিক দত্ত — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম প্রাচীন কবি হলেও আদিকবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মনসামঙ্গলের আদি কবি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো কানা হরিদত্তের অন্ধ কণা দিয়ে মনে রাখা যে তিনি প্রথম বা আদি কবি। মঙ্গলকাব্যগুলোর মধ্যে মনসামঙ্গলই সবচেয়ে প্রাচীন ধারা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মঙ্গলকাব্যের আদি কবি বা রচয়িতা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কানা হরিদত্ত এবং চণ্ডীমঙ্গলের আদি কবি মানিক দত্ত, এই দুটি তথ্য ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0