প্রশ্নের বর্ণনা

a চিরসুখী
b দশানন
c গায়ে হলুদ
d কানাকানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কানাকানি ১. কেন সঠিক: কানাকানি শব্দের ব্যাসবাক্য হলো কানে কানে যে কথা। এটি পারস্পরিক বা যৌথ ক্রিয়া প্রকাশ করে, যা ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে বহুব্রীহি সমাসে পদ দুটির মধ্যে পারস্পরিক বা যৌথ অর্থ বোঝায় এবং সমাসবদ্ধ পদে আ বা ই প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে। এই সমাসে একই পদের দ্বিরুক্তি ঘটে এবং ক্রিয়ার পারস্পরিক বিনিময় প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাঠালাঠি ব্যাখ্যা: লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই, এটি ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে লড়াইয়ের পারস্পরিকতা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: কোলাকুলি ব্যাখ্যা: কোলে কোলে যে মিলন, এটিও ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে মিলনের পারস্পরিক আদান-প্রদান রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিরসুখী — এটি চিরকাল ব্যাপী সুখী, যার ব্যাসবাক্যে কাল ব্যাপ্তি বোঝানোর কারণে এটি নিত্য বা দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত। B) দশানন — এটি দশ আনন বা মুখ যার, যা বিশেষ কোনো ব্যক্তিকে বোঝায় এবং এটি সমানাধিকরণ বা ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাস হতে পারে কিন্তু পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝায় না। C) গায়ে হলুদ — এটি গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে, যা মধ্যপদলূপী বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ এবং এর সঙ্গে পারস্পরিক ক্রিয়ার সম্পর্ক নেই। D) কানাকানি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পারস্পরিক কথা বলা অর্থে ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাস গঠন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাস চিনতে খেয়াল রাখবে শব্দের মাঝে আ বা ই প্রত্যয় থাকবে এবং দুটি একই পদের পুনরাবৃত্তি ঘটে পারস্পরিক অর্থে কাজ বোঝাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাতাহাতি, কোলাকুলি, কানাকানি, গালাগালি ইত্যাদি শব্দগুলো প্রায়ই ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাস হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0