প্রশ্নের বর্ণনা

a মীননাথ
b গোরক্ষনাথ
c হাড়ি পা
d কানু পা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গোরক্ষনাথ ১. কেন সঠিক: গোরক্ষ বিজয় কাব্যের মূল বিষয়বস্তু হলো হঠযোগ সাধনা এবং লৌকিক ধর্মের প্রচার। এই কাহিনীর চার সিদ্ধা বা প্রধান যোগীর মধ্যে গোরক্ষনাথ ছিলেন অটল এবং তিনি লৌকিক প্রলোভন ও মায়াজালে আবদ্ধ হননি। গোরক্ষনাথ তার গুরু মীননাথকে উদ্ধার করার জন্য কঠোর সাধনা করেন এবং নিজের আদর্শ ও সাধনা থেকে একচুলও বিচ্যুত হননি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: গোরক্ষ বিজয় মধ্যযুগের নাথ সাহিত্য ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় কাব্য। এই কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের নাথধর্ম ও যোগসাধনা সম্পর্কিত কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে। এই ধারার বিখ্যাত কবিদের মধ্যে শেখ ফয়জুল্লাহ এবং ভবানিদাস অন্যতম। নাথ সাহিত্যের মূল লক্ষ্য ছিল যোগসাধনার মাধ্যমে অমরত্ব লাভ এবং কাম-কাঞ্চন ত্যাগ করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোরক্ষ বিজয় কাব্যে মীননাথের পতন। ব্যাখ্যা: গুরুর পতন হলেও শিষ্য গোরক্ষনাথ নারী প্রলোভন জয় করে আদর্শ রক্ষা করেছিলেন। উদাহরণ ২: ময়নামতির গান বা গোপীচন্দের সন্ন্যাস। ব্যাখ্যা: এটিও নাথ সাহিত্যের আরেকটি শাখা যেখানে লৌকিক সাধনা ও ত্যাগের মহিমা প্রচার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীননাথ — মীননাথ নারী রাজ্যে প্রবেশ করে সাধনা থেকে বিচ্যুত হয়েছিলেন এবং তাকে উদ্ধার করতে হয়েছিল। B) গোরক্ষনাথ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং মূল প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। C) হাড়ি পা — হাড়িপা বা হাড়িযু অংশবিশেষে ভিন্ন ভূমিকা পালন করলেও মূল আদর্শচ্যুতির প্রশ্নে মীননাথের নামই প্রধান। D) কানু পা — কানু পা বা কান্নপা চর্যাপদের পদকর্তা এবং নাথ সাহিত্যের চার সিদ্ধার প্রধান আদর্শচ্যুতি আলোচনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: নাথ সাহিত্যে গোরক্ষনাথ ছিলেন সবচেয়ে দৃঢ় চরিত্রের অধিকারী যোগী। গুরুর পতন হলেও শিষ্য গোরক্ষনাথ নিজের আদর্শে অটল ছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গোরক্ষ বিজয় কোন সাহিত্যের অন্তর্গত তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। এটি নাথ সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন এবং এর মূল বিষয়বস্তু হঠযোগ সাধনা।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0