প্রশ্নের বর্ণনা

a অভিব্যাপক
b আধারাধিকরণ
c ঐকদেশিক
d কালাধিকরণ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঐকদেশিক ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে। আধার বা স্থান যদি সমগ্র বিষয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশে বা সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তবে তাকে ঐকদেশিক অধিকরণ বলে। সামীপ্য বা নৈকট্য অর্থাৎ কাছাকাছি বা নিকটে বোঝাতে ঐকদেশিক অধিকরণ হয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অধিকরণ কারককে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন আধারাধিকরণ, কালাধিকরণ এবং ভাবাধিকরণ। আধারাধিকরণ আবার তিন প্রকার, যেমন ঐকদেশিক, অভিব্যাপক এবং বৈষয়িক অধিকরণ। কোনো নির্দিষ্ট স্থানে বা সীমানার এক অংশে কিছু থাকলে তাকে ঐকদেশিক অধিকরণ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ আছে। ব্যাখ্যা: বনের সমস্ত জায়গায় বাঘ নেই, বনের একটি নির্দিষ্ট অংশে বা এলাকায় বাঘ আছে তাই এটি ঐকদেশিক অধিকরণ। উদাহরণ ২: পুকুরে মাছ আছে। ব্যাখ্যা: পুকুরের সমস্ত পানি জুড়ে মাছ থাকে না, পুকুরের কোনো এক অংশে মাছ আছে তাই এটি ঐকদেশিক অধিকরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভিব্যাপক — বৃহৎ পরিসরে বা সমগ্র আধার জুড়ে কোনো কিছু ব্যাপي থাকলে তাকে অভিব্যাপক অধিকরণ বলে, যা সামীপ্য বোঝায় না। B) আধারাধিকরণ — এটি অধিকরণ কারকের মূল শ্রেণি, যা সামগ্রিকভাবে স্থান বা আধার বোঝায় কিন্তু নির্দিষ্ট সামীপ্য বোঝাতে ঐকদেশিক ব্যবহৃত হয়। D) কালাধিকরণ — সময় বা কাল নির্দেশক বিষয়কে কালাধিকরণ বলে, যা স্থান বা সামীপ্য বোঝানোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সীমিত স্থান বা কাছাকাছি কিছু বোঝালে ঐকদেশিক অধিকরণ মনে রাখবে। পুরো আধার বা বিশ্বজুড়ে ব্যপ্ত থাকা বোঝাতে অভিব্যাপক অধিকরণ ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই বন, পুকুর বা নদীর মতো নির্দিষ্ট স্থানের উদাহরণ দিয়ে কোন অধিকরণ তা জানতে চাওয়া হয়। আধারটি সমগ্র না সীমিত, তা খেয়াল করলেই সঠিক উত্তর বের করা সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0