প্রশ্নের বর্ণনা

a রামরাম বসু
b ভুদের মুখোপাধ্যায়
c দীনবন্ধু মিত্র
d কালীপ্রসন্ন সিংহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কালীপ্রসন্ন সিংহ ১. কেন সঠিক: - হুতোম প্যাঁচার নকশা গ্রন্থটির রচয়িতা কালীপ্রসন্ন সিংহ এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নকশা জাতীয় রচনা। - প্রমথনাথ বিশ্রি ছদ্মনামে তিনি সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি ও কলকাতার বাবু সমাজের চিত্র এই গ্রন্থে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কালীপ্রসন্ন সিংহ ১৮৪০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং হুতুম প্যাঁচার নকশা গ্রন্থটি ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয়। - এটি বাংলা কথ্য ভাষায় বা চলিত রীতির প্রারম্ভিক পর্যায়ে রচিত একটি অনন্য সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক সাহিত্যকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলালের ঘরের দুলাল ব্যাখ্যা: এটি প্যারিচাঁদ মিত্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস যা কথ্য সাধু ভাষায় রচিত। উদাহরণ ২: বড়ে সায়েরের খ্যাপা বাবু ব্যাখ্যা: হুতোম প্যাঁচার নকশা গ্রন্থে কলকাতার বাবু সমাজের বিভিন্ন চরিত্রের ব্যঙ্গাত্মক রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামরাম বসু — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ছিলেন এবং রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ও লিপিমালা রচনা করেন। B) ভুদের মুখোপাধ্যায় — ইনি একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও প্রবন্ধকার ছিলেন এবং পরিচারিকা ও পরিবার পরিচারিকা রচনা করেন। C) দীনবন্ধু মিত্র — ইনি বাংলা নাট্যসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা হিসেবে বিশেষ পরিচিত। D) কালীপ্রসন্ন সিংহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি হুতোম প্যাঁচার নকশা রচনা করেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - হুতোম প্যাঁচার ছদ্মবেশী চোখে কলকাতার সমাজ দেখতে হলে কালীপ্রসন্ন সিংহের নাম মনে রাখতে হবে। - নকশা জাতীয় সাহিত্য মানেই হুতোম প্যাঁচা এবং কালীপ্রসন্ন সিংহ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুতোম প্যাঁচার নকশার রচয়িতা ও এর প্রকাশের সন প্রায়ই আসে। - চলিত ভাষারীতির প্রাথমিক রূপ ও ব্যঙ্গাত্মক রচনার ক্ষেত্রে এই গ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0