প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজলের ন্যায় কালো
b কাজল ও কালো
c কাজল রূপ কালো
d কালো ও কাজল
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজলের ন্যায় কালো ১. কেন সঠিক: - 'কাজলকালো' শব্দটি উপমান কর্মধারয় সমাস। এখানে উপমেয় (কালো) এবং উপমানের (কাজল) মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে। - সাধারণ ধর্মবাচক পদ (কালো) এবং উপমান পদের (কাজল) মিলনে এই সমাস গঠিত হয়েছে যেখানে তুলনাটি স্থায়ী বা সত্য বলে প্রতীয়মান হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাস পদে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমান পদের তুলনা করা হয় এবং সাধারণ ধর্মটি উভয়ের মধ্যে উপস্থিত থাকে, তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে। - এখানে কাজল হলো উপমান বা যার সাথে তুলনা করা হয় এবং কালো হলো সাধারণ ধর্ম বা গুণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: তুষারের ন্যায় শুভ্র। এটি উপমান কর্মধারয় সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ যেখানে তুষারের সাথে শুভ্রতার তুলনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: অরুণরাঙা ব্যাখ্যা: অরুণের ন্যায় রাঙা। এখানে প্রাতঃকালের সূর্যের সাথে রঙের তুলনা বোঝাতে উপমান কর্মধারয় সমাস ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজলের ন্যায় কালো — এটি ব্যাকরণগত নিয়মাশ্রয়ী সঠিক ব্যাসবাক্য এবং উপমান কর্মধারয় সমাসের সঠিক গঠন প্রকাশ করে। B) কাজল ও কালো — এটি দ্বন্দ্ব সমাসের ব্যাসবাক্য, যা পদের অর্থের মিলের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। C) কাজল রূপ কালো — এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্য, যা বাস্তব তুলনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ডি) কালো ও কাজল — এটিও দ্বন্দ্ব সমাসের ব্যাসবাক্য, যা পদের ভাবার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাধারণ কোনো বস্তুর সাথে পরিচিত কোনো উপাদানের স্থায়ী তুলনা বোঝালে মাঝখানে ন্যায় বসিয়ে উপমান কর্মধারয় সমাস নির্ণয় করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপমান কর্মধারয় সমাসে উপমান পদটি সবসময় দৃশ্যমান বা পরিচিত বস্তু হয়। - এই নিয়মে পরীক্ষাতে তুষারশুভ্র, অরুণরাঙা, সিংহপুরুষ ইত্যাদি শব্দ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0