প্রশ্নের বর্ণনা

a মহাকাব্য
b গীতিকাব্য
c পত্রকাব্য
d কাহিনীকাব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গীতিকাব্য ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটিতে সামান্য বিভ্রান্তি রয়েছে। বাংলা সাহিত্য সমালোচকদের মতে 'নকশী কাঁথার মাঠ' মূলত একটি কাহিনীকাব্য বা আখ্যানকাব্য। তবে এর সুরময়তা, পঙ্‌ক্তির লয় এবং গভীর আবেগ ও গীতিকারূপের জন্য অনেক সময় একে গীতিকাব্য বা গীতি-আখ্যানকাব্য বলা হয়। - পল্লীজীবনের সুখ-দুঃখ এবং গ্রামীণ প্রেমের নিবেদন অত্যন্ত আবেগঘন ভাষায় প্রকাশিত হওয়ায় এটি কাব্যের অনন্য রূপ লাভ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কাব্যটির রচয়িতা পল্লীকবি জসীমউদ্দীন। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্মগুলোর একটি। - কাব্যের কাহিনী সাজানো হয়েছে সাজু ও রূপাই নামক দুই গ্রামীণ চরিত্রের প্রেম ও ট্র্যাজেডিকে কেন্দ্র করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোজন বাদের ঘাট ব্যাখ্যা: এটিও জসীমউদ্দীনের লেখা আরেকটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য বা রোমান্টিক কাব্য। উদাহরণ ২: রাখালী ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর পল্লীগীতির অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাকাব্য — মহাকাব্যের নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে যেমন বিশাল কলেবর ও বীরত্বগাথা, যা এই কাব্যে অনুপস্থিত। B) গীতিকাব্য — প্রমিত সাহিত্যতত্ত্বে এটি কাহিনীকাব্য হলেও, পরীক্ষার বহু নির্বাচনী প্রশ্নে সুরময়তার কারণে অনেক সময় এটিকেই সঠিক ধরা হয়। C) পত্রকাব্য — পত্র বা চিঠির আকারে এই কাব্য রচিত হয়নি, তাই এটি পত্রকাব্য নয়। D) কাহিনীকাব্য — সাহিত্যিক বিচারে এটি মূলত একটি কাহিনীকাব্য বা আখ্যানকাব্য, যেখানে একটি গল্প বা কাহিনী কবিতার ছন্দে এগিয়ে গেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত দুই কাব্য হলো নকশী কাঁথার মাঠ এবং সোজন বাদের ঘাট। - এই কাব্যগুলোর মূল সুর গ্রামীণ মানুষের জীবন ও প্রেম, যা তাকে কাহিনীকাব্যের রূপ দিয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটি ইংরেজি ভাষায় Translate করেন E. M. Milford, যার নাম Field of the Embroidered Quilt. - বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান এবং তাঁর লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0