প্রশ্নের বর্ণনা

a কিম্ + চিত্
b কি + চিৎ
c ক + চিৎ
d কিম + চিৎ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কিম + চিৎ ১. কেন সঠিক: - কিঞ্চিৎ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো কিম যোগ চিৎ, যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। - সন্ধির নিয়মানুসারে পদের অন্তস্থিত ম বা ম-কার এর পরে চ-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে ম-এর স্থানে অনুস্বার হয় এবং পরবর্তীতে তা সন্ধিবদ্ধ রূপ লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে আগত ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম, যেখানে ম-এর পর চ ছ জ ঝ ঞ থাকলে ম-এর স্থানে অনুস্বার বা ঙ হয়। - বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের সন্ধি সাধারতঃ সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনেই সাধিত হয় এবং এখানেও সেই নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম যোগ চয় = সঞ্চয় ব্যাখ্যা: এখানে ম-এর পরে চ থাকায় ম-এর স্থানে অনুস্বার বা ঙ যুক্ত হয়ে সঞ্চয় শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কিম যোগ চ = কিঞ্চ ব্যাখ্যা: এটিও একই ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে সাধিত হয়েছে যেখানে ম-এর পরিবর্তন ঘটে নতুন রূপ নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিম্ + চিত্ — এখানে ম-এ হসন্ত না দিয়ে সরাসরি ম লেখা হয়েছে এবং ম-এর রূপ অপরিবর্তিত রাখা ব্যাকরণসম্মত নয়। B) কি + চিৎ — এখানে মূল শব্দের সঠিক রূপ কিম অনুপস্থিত রয়েছে যা সন্ধির নিয়মের পরিপন্থী। C) ক + চিৎ — এখানে প্রথম অংশ সম্পূর্ণ ভুল ও সংক্ষিপ্ত আকারে দেওয়া হয়েছে যা অর্থহীন। D) কিম + চিৎ — এটি সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী গঠিত সন্ধিবিচ্ছেদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুস্বারযুক্ত শব্দ দেখলে সন্ধিবিচ্ছেদের সময় অনুস্বারের স্থানে ম-হসন্ত বসানোর কৌশল মনে রাখতে হবে। - কিঞ্চিৎ শব্দটি দেখলেই কিম যোগ চিৎ কথাটি মাথায় আনতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই ভিন্ন ভিন্ন শব্দ দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে আসে। - ম-ফলা বা ম-এর পরিবর্তন সংক্রান্ত অন্যান্য সন্ধি যেমন অহংকার বা সঞ্জয় ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0