প্রশ্নের বর্ণনা

a শাহ আবদুল করিম
b শেখ ওয়াহিদ
c রাধারমন
d কুদ্দুস বয়াতি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শেখ ওয়াহিদ ১. কেন সঠিক: - "প্রানের বান্ধব রে বুড়ি হইলাম তোর কারণে" গানটির গীতিকার বা রচয়িতা হলেন শেখ ওয়াহিদ। এটি বাংলা লোকসংগীতের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান। - গ্রামীণ লোক সংস্কৃতির পটভূমিতে রচিত এই গানে মানবজীবনের প্রেম, বিরহ ও বয়সের পরিবর্তনের আবহ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য ও লোকসংগীতের ইতিহাস সম্পর্কিত। বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে বহু মরমী ও লোককবি লোকগানের মাধ্যমে তাদের ভাব প্রকাশ করেছেন, যার মধ্যে শেখ ওয়াহিদ অন্যতম। - লোকসংগীত বাংলা সাহিত্যের একটি সমৃদ্ধ ধারা, যা মৌখিকভাবে এবং পরবর্তী সময়ে সংকলনের মাধ্যমে টিকে রয়েছে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এ ধরনের প্রশ্ন আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: "আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম" ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিখ্যাত লোকগান, যার গীতিকার শাহ আবদুল করিম এবং এটি গ্রামীণ বাংলার স্মৃতিকাতরতা ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: "বংশeরী" বা রাধারমনের পদাবলী ব্যাখ্যা: রাধারমন দত্ত ধামাইল গানের জন্য বিখ্যাত এবং তার রচিত গান বাংলা লোকসাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহ আবদুল করিম — তিনি সুনামগঞ্জের একজন প্রখ্যাত বাউল ও লোকসংগীত শিল্পী হলেও এই গানটির রচয়িতা নন, তিনি "কেন পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু" বা "বണ്ടി কেন পিরিতি" গানের জন্য বিখ্যাত। C) রাধারমন — তিনি ধামাইল গান ও মরমী পদের জন্য বিখ্যাত একজন সাধক কবি, তবে এই নির্দিষ্ট লোকগানটির গীতিকার তিনি নন। D) কুদ্দুস বয়াতি — তিনি নেত্রকোনার একজন বিখ্যাত গ্রামীণ লোকশিল্পী ও বয়াতি, যিনি অনেক গান গেয়েছেন কিন্তু এই জনপ্রিয় গানটির রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - লোকসংগীত ও এর গীতিকার মনে রাখতে বিখ্যাত গানগুলোর শিল্পী ও রচয়িতাদের নাম তালিকা করে বারবার চর্চা করতে হবে। - শেখ ওয়াহিদ নামটির সঙ্গে "প্রানের বান্ধব রে বুড়ি হইলাম তোর কারণে" গানটি জোড়া লাগিয়ে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত লোকগান এবং এর গীতিকার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লোকসংগীতের ক্ষেত্রে শিল্পীর নাম এবং মূল গীতিকারের নাম আলাদা করে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0