প্রশ্নের বর্ণনা

a বেতসবৃত্তি
b পতঙ্গবৃত্তি
c জলৌকাবৃত্তি
d কুম্ভিলকবৃত্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুম্ভিলকবৃত্তি ১. কেন সঠিক: অন্যের রচনা, চিন্তা বা গবেষণালব্ধ কর্ম নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা চুরি করাকে এককথায় কুম্ভিলকবৃত্তি বলা হয়। কুম্ভিলক শব্দের অর্থ চোর, আর বৃত্তি শব্দের অর্থ পেশা বা আচরণ, যার সামগ্রিক অর্থ দাঁড়ায় চুরির পেশা বা চৌর্যবৃত্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংকোচনের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বড় কোনো ভাব, বাক্য বা অবস্থাকে একটি মাত্র শব্দ বা পদের মাধ্যমে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে এককথায় প্রকাশ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপরের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করা একধরনের কুম্ভিলকবৃত্তি। ব্যাখ্যা: সাহিত্য বা গবেষণায় অন্যের লেখা আত্মসাৎ করার অবৈধ চর্চাকে এই উদাহরণের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: অন্যের গ্রন্থ থেকে হুবহু নকল করা学术 বা সাহিত্যিক অঙ্গনে একটি বড় অপরাধ এবং একে কুম্ভিলকবৃত্তি বলে। ব্যাখ্যা: এটি চৌর্যবৃত্তির একটি বিশেষ রূপ যা সাহিত্যিক পরিভাষায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেতসবৃত্তি — বেত গাছের মতো নমনীয় স্বভাব বা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সহজে নত হওয়াকে বোঝায়, যা লেখার চুরির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) পতঙ্গবৃত্তি — পতঙ্গের আলোর প্রতি অন্ধ আকর্ষণের মতো ধ্বংসের দিকে ছুটে যাওয়ার প্রবৃত্তি বা আত্মঘাতী আকর্ষণকে বোঝায়। C) জলৌকাবৃত্তি — জলৌকা বা জোঁকের মতো শুধু রক্ত শোষণ করার প্রবৃত্তি বা অন্যের কষ্টার্জিত সম্পদ আত্মসাৎ করার স্বার্থপর আচরণকে বোঝায়। D) কুম্ভিলকবৃত্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি অন্যের রচনা চুরি করার নির্দিষ্ট পরিভাষা। ৫ মনে রাখার টিপস: কুম্ভিলক শব্দের সঙ্গে চোর বা চৌর্যবৃত্তির সম্পর্ক মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে বের করা সম্ভব। এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে বৃত্তি শব্দের আগের মূল শব্দটি খেয়াল করলেই অর্থের মিল খুঁজে পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের প্রশ্নগুলো BCS এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এককথায় প্রকাশ বা পারিভাষিক শব্দ হিসেবে আসে। সাহিত্য ও গবেষণার পরিভাষা হিসেবে কুম্ভিলকবৃত্তি শব্দটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি লেখার চৌর্যবৃত্তি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0