প্রশ্নের বর্ণনা

a আলালের ঘরের দুলাল
b সীতারাম
c চঞ্চলা
d কুহেলিকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলালের ঘরের দুলাল ১. কেন সঠিক: - 'আলালের ঘরের দুলাল' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস এবং প্যারীচাঁদ মিত্রের অমর সৃষ্টি। - তৎকালীন সমাজের ধনী পরিবারের বখে যাওয়া সন্তানদের কুৎসিত চিত্র এবং এর থেকে উত্তরণের বার্তা এতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি 'টেকচাঁদ ঠাকুর' ছদ্মনামে লিখতেন। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা গদ্যে সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণে একটি নতুন সহজবোধ্য গদ্যরীতির সূচনা ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হুতোম প্যাঁচার নকশা ব্যাখ্যা: এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত আরেকটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক সাহিত্যকর্ম, যা আলালের ঘরের দুলালের সমসাময়িক। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা উনিশ শতকের গদ্যসাহিত্যের ধারাকে সমৃদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলালের ঘরের দুলাল — এটি প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত সঠিক উপন্যাস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থ। B) সীতারাম — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, প্যারীচাঁদ মিত্রের রচনা নয়। C) চঞ্চলা — এটি কোনো বিখ্যাত মৌলিক উপন্যাস নয়, বরং অপশনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য এটি ব্যবহার করা হয়েছে। D) কুহেলিকা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস, যা প্যারীচাঁদ মিত্রের নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের নাম আলালের ঘরের দুলাল। - টেকচাঁদ ঠাকুরের 'টে' এবং 'আলালের ঘরের দুলাল' মনে রাখতে 'টেকচাঁদের দুলাল' এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসের নাম এবং এর লেখকের নাম প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - একই সঙ্গে লেখকের ছদ্মনাম 'টেকচাঁদ ঠাকুর' ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0