প্রশ্নের বর্ণনা

a শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ
b শ্রীকৃষ্ণলীলা
c কৃষ্ণ ও রাধা
d কৃষ্ণ কৃষ্ণ জপনাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ ১. কেন সঠিক: বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ বাঁকুড়ার কাকড়িয়া গ্রাম থেকে পুঁথিটি আবিষ্কার করে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করার সময় এর নাম দেন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। তবে পুঁথির মূল পাতার প্রথমাংশ নষ্ট থাকায় এবং ভেতরের পাতার শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ কথাটির উল্লেখ থাকার কারণে এর প্রকৃত বা মূল নাম শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ বলে মনে করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন ও রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এটি বড় চণ্ডীদাস রচিত একটি নাট্যধর্মী গীতিকাব্য যেখানে রাধা, কৃষ্ণ ও বরু বা বড়াই চরিত্রের মাধ্যমে মানুষের চিরন্তন প্রেম ও মনোমালিন্য ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড় চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মূলত তিন খণ্ডে বিভক্ত ছিল। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটির খণ্ডগুলো হলো জন্মখণ্ড, তামুলখণ্ড, দানখণ্ড ইত্যাদি যা এর নাট্যরূপ ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন হলো শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য। ব্যাখ্যা: ডক্টর সুকুমার সেন ও বসন্তরঞ্জন রায়ের মতে এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নির্ভেজাল কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ — এটি পুঁথির ভেତরের পাতা ও প্রামাণিক প্রমাণের ভিত্তিতে নির্ণীত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মূল নাম। B) শ্রীকৃষ্ণলীলা — এটি সাধারণ অর্থে রাধা কৃষ্ণের লীলা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু কাব্যের মূল নাম হিসেবে এটি প্রমাণিত নয়। C) কৃষ্ণ ও রাধা — এটি কাব্যটির প্রধান দুটি চরিত্র কিন্তু কোনোভাবেই প্রাচীন পুঁথিতে প্রাপ্ত মূল নাম নয়। D) কৃষ্ণ কৃষ্ণ জপনাম — এটি ভক্তিমূলক পদ বা মন্ত্রের অংশ যা এই প্রাচীন নাট্যধর্মী কাব্যের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পুঁথি আবিষ্কারের নাম শ্রীকৃষ্ণকীর্তন হলেও ভেতরের পাতার নাম হলো শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ। সংক্ষেপে মনে রাখতে পারো আবিষ্কারের নাম কীর্তন এবং ভেতরের নাম সন্দর্ভ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কে আবিষ্কার করেন এবং এর মূল নাম কী। বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি আবিষ্কার ও প্রকাশ করেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0