প্রশ্নের বর্ণনা

a বক্তব্যের অন্তর্নিহিত ভাবকে বিশদভাবে বিবৃত করা
b কোন বক্তব্য বিষয়কে ক্ষুদ্র পরিসরে ব্যক্ত করা
c মোটামুটিভাবে কোন কাহিনী সহভাবে নেয়া
d কোন বক্তব্যের সপক্ষে যুক্তির অবতারণা করা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বক্তব্যের অন্তর্নিহিত ভাবকে বিশদভাবে বিবৃত করা ১. কেন সঠিক: - ভাব-সম্প্রসারণ বলতে মূলত কোনো ছোট প্রবাদ, উদ্ধৃতি বা পঙক্তির ভেতরের গভীর অর্থকে সহজ ও বিস্তারিতভাবে ফুটিয়ে তোলাকে বোঝায়। - এখানে মূল বক্তব্যকে নিজের ভাষায় বিভিন্ন যুক্তির মাধ্যমে সহজ করে বুঝিয়ে দিতে হয় যাতে সাধারণ পাঠক তা সহজেই বুঝতে পারে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণ ও রচনাভঙ্গির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর মননশীলতা ও লেখার দক্ষতা যাচাই করা হয়। - কোনো সাহিত্যিক বা দার্শনিক সত্যকে অল্প কথায় প্রকাশ করা হলে তার ভেতরের রূপটি উন্মোচন করাই এর মূল কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি। ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটির ভাব-সম্প্রসারণে মানুষের জীবনে পরিশ্রমের গুরুত্ব এবং এর মাধ্যমেই যে সাফল্য আসে তা বিশদভাবে আলোচনা করা হয়। উদাহরণ ২: দুর্নীতি সব নাশের মূল। ব্যাখ্যা: সমাজের অগ্রগতিতে দুর্নীতির কুফল এবং এর ফলে কীভাবে নৈতিক অবক্ষয় ঘটে তা এই ভাব-সম্প্রসারণে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বক্তব্যের অন্তর্নিহিত ভাবকে বিশদভাবে বিবৃত করা — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভাব-সম্প্রসারণের মূল কাজই হলো গভীর ভাবকে বড় করে ফুটিয়ে তোলা। B) কোন বক্তব্য বিষয়কে ক্ষুদ্র পরিসরে ব্যক্ত করা — এটি ভুল কারণ ক্ষুদ্র পরিসরে ব্যক্ত করাকে সারমর্ম বা সারাংশ বলে, ভাব-সম্প্রসারণ নয়। C) মোটামুটিভাবে কোন কাহিনী সহভাবে নেয়া — এটি ভুল কারণ ভাব-সম্প্রসারণ কোনো কাহিনী সংক্ষেপ করা নয়, বরং এটি একটি দার্শনিক বা নৈতিক ভাবনার ব্যাখ্যা। D) কোন বক্তব্যের সপক্ষে যুক্তির অবতারণা করা — এটি ভুল কারণ এটি মূলত বিতর্ক বা প্রবন্ধ রচনার একটি অংশ, সুনির্দিষ্ট ভাব-সম্প্রসারণের সংজ্ঞা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সারসংক্ষেপ হলো ছোট করা আর ভাব-সম্প্রসারণ হলো বড় করা। - প্রবাদের গভীর অর্থকে নিজের ভাষায় সাজিয়ে বড় করে লেখাই হলো ভাব-সম্প্রসারণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাব-সম্প্রসারণ থেকে প্রায়ই প্রবাদ বা উদ্ধৃতির মূল অর্থ কী তা জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর করার সময় প্রবাদের ভেতরের নৈতিক শিক্ষাটি ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0