প্রশ্নের বর্ণনা

a গানের সংকলন
b কবিতার সংকলন
c প্রবন্ধের সংকলন
d কোনটিই নয়
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গানের সংকলন ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য তথা সাহিত্য নিদর্শন। এটি মূলত কোনো কবিতা বা প্রবন্ধের সংকলন নয়, বরং সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের দ্বারা রচিত সাধনসংগীত বা আধ্যাত্মিক গানের সংকলন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ মূলত পাল যুগে রচিত বৌদ্ধ সহজিয়া ধর্মের তত্ত্ব প্রচারের মাধ্যম। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে সহস্র বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন লুইপা। ব্যাখ্যা: এই পদটি চর্যাপদের সূচনালগ্নে রাগ নির্দেশ করে গীত হিসেবে রচিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: কাহ্নপা চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা। ব্যাখ্যা: তিনি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধক হিসেবে সংগীতের মাধ্যমে তাত্ত্বিক ও দার্শনিক ভাব প্রকাশ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গানের সংকলন — এই অপশনটি সঠিক কারণ চর্যাপদের প্রতিটি পদের সঙ্গে রাগ ও তাল যুক্ত রয়েছে যা গাওয়ার জন্য রচিত। B) কবিতার সংকলন — এই অপশনটি ভুল কারণ চর্যাপদ মূলত আধুনিক অর্থে কোনো কবিতার বই নয়, এগুলো ছিল সাধনসংগীত। C) প্রবন্ধের সংকলন — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রাচীন যুগে কোনো গদ্য বা প্রবন্ধ লেখার রীতি বাংলায় ছিল না। D) কোনটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি ক অপশনে বিদ্যমান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ মানেই গান। চর্যাপদের পদগুলো গাইবার জন্যই রচিত হয়েছিল এবং এগুলোতে রাগরাগিণীর উল্লেখ থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ কোন যুগে রচিত হয়েছিল এবং এর আবিষ্কারক কে, এই দুটি প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে এটি আবিষ্কার করেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0