প্রশ্নের বর্ণনা

a কেতকাদাস
b ক্ষেমানন্দ
c সম্পূর্ণ অংশ
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কেতকাদাস ১. কেন সঠিক: - 'কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ' বাংলা মঙ্গলকাব্যের একজন বিখ্যাত কবি, যার মূল নাম ক্ষেমানন্দ এবং কেতকাদাস তাঁর ভনিতা বা উপাধি। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের কবিরা প্রায়ই নিজেদের নামের সঙ্গে আরাধ্য দেবদেবীর নাম যুক্ত করে ভনিতা ব্যবহার করতেন, এখানে 'কেতকা' বা মনসামার দাস হিসেবে তিনি কেতকাদাস নাম ব্যবহার করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্ষেমানন্দ মধ্যযুগের মনসা মঙ্গল কাব্যের একজন বিশিষ্ট কবি এবং তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে আবির্ভূত হন। - তাঁর রচিত মনসা মঙ্গল কাব্যটি 'কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ' নামে সমধিক পরিচিত এবং এটি বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সংযোজন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকর নন্দী ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের কবি শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অশ্বমেধ পর্ব বাংলায় অনুবাদ করেন এবং তাঁর নামের সঙ্গেও কাব্যিক ঐতিহ্য জড়িত আছে। উদাহরণ ২: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ব্যাখ্যা: কবি ভারতচন্দ্র রায় রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন এবং 'রায়গুণাকর' তাঁর উপাধি যা তাঁর মূল নামের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেতকাদাস — এটি তাঁর মূল নাম নয়, এটি দেবীর নামানুসারে ব্যবহৃত ভনিতা বা উপাধি অংশ। B) ক্ষেমানন্দ — এটি কবির প্রকৃত বা মূল নাম, তাই এটি সঠিক উত্তরের বিপরীত। C) সম্পূর্ণ অংশ — এখানে সম্পূর্ণ অংশ মূল নাম নয়, কারণ কেতকাদাস তাঁর উপাধি অংশ। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনের তালিকায় বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের কবিদের নামের আগে বা পরে দেবদেবীর নামযুক্ত শব্দ থাকলে তা সাধারণত তাঁদের ভনিতা বা উপাধি হয়। ক্ষেমানন্দ মূল নাম এবং কেতকাদাস তাঁর উপাধি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবিদের প্রকৃত নাম এবং তাঁদের ভনিতা বা উপাধি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। কবি ক্ষেমানন্দের ক্ষেত্রে কেতকাদাস তাঁর ভনিতা অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0