প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রাচীন যুগের
b মধ্যযুগের
c আধুনিক যুগের
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মধ্যযুগের ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে ড. সুকুমার সেন এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে, যার মধ্যে অন্ধকার যুগ মধ্যযুগের অন্তর্ভুক্ত। ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বা তুর্কী আক্রমণের সময়কাল বলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ড. সুকুমার সেন এই সময়কালকে অন্ধকার যুগ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন কারণ এই সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলার কারণে উল্লেখযোগ্য কোনো সাহিত্যকর্ম রচিত হয়নি। এই যুগের একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি রামাই পণ্ডিতের শূন্যপুরাণ এবং হলায়ুধ মিশ্রের লক্ষণ সেনের সময়ের ধূর্ত্ত সমাচার। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শূন্যপুরাণ ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের অন্ধকার যুগের একটি উল্লেখযোগ্য গদ্য-পদ্য মিশ্রিত গ্রন্থ যার রচয়িতা রামাই পণ্ডিত। উদাহরণ ২: প্রাকৃত পৈঙ্গল ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রারম্ভিক সময়ের একটি প্রাকৃত ভাষার গ্রন্থ যা তৎকালীন সমাজ ও সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাচীন যুগের — প্রাচীন যুগের সময়কাল ধরা হয় ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত, যা চর্যাপদের সময়কাল এবং এটি অন্ধকার যুগের আগের পর্যায়। B) মধ্যযুগের — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দের অন্ধকার যুগ মধ্যযুগের কালসীমার ভেতরেই অবস্থিত। C) আধুনিক যুগের — আধুনিক যুগের সূচনা ধরা হয় ১৮০১ সাল থেকে, তাই অন্ধকার যুগ আধুনিক যুগের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তরটি মধ্যযুগের অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের শুরুতেই অন্ধকার নেমে এসেছিল বলে মনে রাখতে পারো যে অন্ধকার যুগ মানেই মধ্যযুগের প্রারম্ভিক বা সূচনা পর্ব। ১২০১ থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত এই দেড়শ বছরকে অন্ধকার যুগ বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের সময়কাল ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এবং এই নামকরণটি করেছেন ড. সুকুমার সেন। এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0