প্রশ্নের বর্ণনা

a বিষয়ের গুরত্ব ও গভীরতা
b উপমার ব্যবহার
c বিষয়বস্তুর পরিমাণ
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিষয়ের গুরত্ব ও গভীরতা ১. কেন সঠিক: সারমর্ম বা সারাংশ লেখার মূল উদ্দেশ্য হলো মূল পাঠের অন্তর্নিহিত ভাব বা মূল বক্তব্যকে সংক্ষেপে ফুটিয়ে তোলা। কোনো রচনার কলেবর বড় হলেও তার ভাব যদি সাধারণ হয়, তবে তা ছোট হতে পারে, আবার বড় ও গভীর ভাব সংক্ষেপ করার সময় কিছুটা বড় পরিসর নিতে পারে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা রচনা লিখন এবং ভাবসম্প্রসারণ বা সারমর্ম লিখন কৌশলের ক্ষেত্রে মূল বিষয়ের গভীরতা এবং গুরুত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক। মূল রচনার আকার কত বড়, তার ওপর সারমর্মের আকার সরাসরি নির্ভর করে না, বরং মূল ভাবটি কতটা গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ তার ওপর নির্ভর করে সারমর্মের পরিধি নির্ধারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি জটিল দার্শনিক প্রবন্ধের সারমর্ম। ব্যাখ্যা: প্রাবন্ধিকের গভীর চিন্তন ও তত্ত্বকথা সংক্ষিপ্ত করতে গেলে বিষয়ের গুরুত্বের কারণে সারমর্ম কিছুটা বিস্তৃত হতে পারে। উদাহরণ ২: একটি সাধারণ প্রকৃতির কবিতার সারাংশ। ব্যাখ্যা: কবিতার ভাব সহজ এবং সরল হলে তার সারাংশ খুব অল্প কথায় বা দুই এক লাইনে প্রকাশ করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষয়ের গুরত্ব ও গভীরতা — এটি সঠিক কারণ সারমর্মের আকার বিষয়ের গভীরতার ওপর নির্ভর করে। B) উপমার ব্যবহার — সারমর্ম লেখার সময় সাধারণত উপমা বা অলংকার বাদ দেওয়া হয়, তাই এর ওপর আকার নির্ভর করে না। C) বিষয়বস্তুর পরিমাণ — মূল পাঠের পরিমাণ বেশি হলেই যে সারমর্ম বড় হবে এমন কোনো নিয়ম নেই, মূল কথা হলো ভাব। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সারমর্মের আকার সবসময় নির্ভর করে বিষয়ের গভীরতা ও গুরুত্বের ওপর, পরিমাণের ওপর নয়। মূল কথা মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে চিহ্নিত করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে যেখানে সারমর্মের বৈশিষ্ট্য বা পরিধি নির্ধারণের মূল শর্ত জানতে চাওয়া হয়। শিক্ষার্থীকে সর্বদা মূল ভাব বা বিষয়ের গভীরতার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0