প্রশ্নের বর্ণনা

a নিত্য সমাস
b কর্মধারয়
c অব্যয়ীভাব
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্য বা ব্যাসবাক্য 'প্রকৃষ্ট যে ভাত' এর সঠিক সমাস হলো প্রাদুর্ভাব বা প্রাদি সমাস অথবা কর্মধারয় সমাস। যেহেতু অপশনে প্রাদি সমাসের উল্লেখ নেই এবং সঠিক উত্তর কর্মধারয় হওয়া সত্ত্বেও তা ভুল অপশনে রাখা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হবে কোনটিই নয়। প্রকৃষ্ট যে ভাত = প্রভাত, এখানে 'প্র' উপসর্গটি প্রৃষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়ে প্রাদি সমাসের মাধ্যমে প্রভাত শব্দটি গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রাদি সমাস হলো এমন একধরনের সমাস যেখানে প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ বা অব্যয়ের সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদের সমাস হয়। প্রাদি সমাসে উপসর্গগুলো বিশেষ পদের কাজ করে এবং ব্যাসবাক্যে অর্থের পূর্ণতা পায়। কর্মধারয় সমাসের সাধারণ নিয়মে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন পদ গঠিত হলেও প্রাদি সমাসে উপসর্গের বিশেষ প্রয়োগ লক্ষ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রকৃষ্ট যে ভাত = প্রভাত। ব্যাখ্যা: এখানে 'প্র' উপসর্গ এবং 'ভাত' পদের মিলনে প্রাদি সমাস সাধিত হয়েছে যা মূলত প্রাতঃকাল বোঝায়। উদাহরণ ২: পরিগত যে ক্ষোভ = পরিক্ষোভ। ব্যাখ্যা: এখানে 'পরি' উপসর্গ এবং 'ক্ষোভ' পদের মিলনে প্রাদি সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিত্য সমাস — নিত্য সমাসে কোনো ব্যাসবাক্য হয় না এবং পদগুলো চিরকাল সমাসবদ্ধ থাকে, যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) কর্মধারয় — প্রভাত শব্দটির ক্ষেত্রে প্রাদি সমাস অধিকতর উপযোগী হওয়ায় প্রাথমিক বিচারে কর্মধারয় মনে হলেও ব্যাকরণগতভাবে এটি প্রাদি সমাসের অন্তর্ভুক্ত। C) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং অব্যয়ের যোগে গঠিত হয়, যা এই পদের গঠনের সঙ্গে মেলে না। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর কর্মধারয় বা প্রাদি সমাস হলেও তা অপশনে না থাকায় এটিই সঠিক বলে বিবেচিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: প্র দিয়ে শুরু এবং প্রকৃষ্ট অর্থে ব্যবহৃত ব্যাসবাক্য দেখলে প্রথমে প্রাদি সমাসের কথা চিন্তা করবে। বাংলা ব্যাকরণে প্র, পরা, অপ যুক্ত বিশেষ শব্দ দেখলে অপশন সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় ব্যাকরণের নিয়মের ব্যতিক্রম বা উপ-বিভাগের প্রশ্ন সরাসরি না দিয়ে ভিন্ন অপশন রাখা হয়। এ ধরনের ক্ষেত্রে প্রাদি সমাসের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে ভুল এড়ানো সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0