প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
b চতুর্থী তৎপুরুষ
c ষষ্ঠী তৎপুরুষ
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ষষ্ঠী তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় জীবনের বীমা, যেখানে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে। - এখানে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝানো হয়েছে, যা তৎপুরুষ সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - সম্বন্ধ পদে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকে এবং এই পদটি পূর্বে বসে যখন সমাস গঠন করে, তখন তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাত্রাবাস ব্যাখ্যা: ছাত্রদের আবাস, এখানে র বিভক্তিযুক্ত পদ পূর্বে বসে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস গঠন করেছে। উদাহরণ ২: রাজপথ ব্যাখ্যা: পদের রাজা, এটিও ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিতীয়া তৎপুরুষ — এখানে কর্ম কারকে কে বা রে বিভক্তি লোপ পায়, যা জীবনবীমা শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) চতুর্থী তৎপুরুষ — এখানে নিমিত্ত অর্থে বা কল্যাণে চতুর্থী বিভক্তি লোপ পায়, কিন্তু জীবনবীমা কোনো নিমিত্ত বোঝাচ্ছে না। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো পদের ব্যাসবাক্য করলে যদি র বা এর বিভক্তি পাওয়া যায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। - জীবনবীমা মানে জীবনের বীমা, এখানে র বিভক্তি থাকায় এটি নিশ্চিতভাবেই ষষ্ঠী তৎপুরুষ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাসের বিভক্তি নির্ণয় প্রায়ই আসে, তাই ব্যাসবাক্য করে বিভক্তি চেনার অভ্যাস করতে হবে। - সম্বন্ধ পদের সমাস মাত্রই সাধারণত ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়ে থাকে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0