প্রশ্নের বর্ণনা

a 45
b 25
c 35
d কোনটিই না
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর অনুচ্ছেদ (৩) এবং অনুচ্ছেদ ৬৬ এর অনুচ্ছেদ (১) অনুযায়ী সংসদ সদস্য হওয়ার ন্যূনতম বয়স পঁচিশ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হয়, তাই প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য ন্যূনতম বয়স পঁচিশ বছর প্রযোজ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণ বা সাহিত্য সম্পর্কিত নয়, এটি মূলত বাংলাদেশ সংবিধান ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ক একটি প্রশ্ন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের মৌলিক অনুচ্ছেদ এবং বিভিন্ন পদে আসীন হওয়ার বয়সের সীমা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়শই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স পঁয়ত্রিশ বছর হতে হয়। ব্যাখ্যা: রাষ্ট্রপতি পদের সাংবিধানিক যোগ্যতা সংসদ সদস্য পদের যোগ্যতার চেয়ে আলাদা এবং এর বয়সসীমা বেশি। উদাহরণ ২: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার জন্য নির্ধারিত ন্যূনতম বয়স পঁচিশ বছর। ব্যাখ্যা: সংসদ সদস্য পদের এই বয়সের শর্তটি প্রধানমন্ত্রী পদের ক্ষেত্রেও সরাসরি প্রযোজ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 45 — পঁয়তাল্লিশ বছর বয়স কোনো সাংবিধানিক পদের ন্যূনতম বয়স হিসেবে নির্ধারিত নয়। B) 25 — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য হতে ন্যূনতম এই বয়স প্রয়োজন। C) 35 — পঁয়ত্রিশ বছর হলো বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়সসীমা। D) কোনটিই না — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী হতে বয়স লাগে পঁচিশ বছর এবং রাষ্ট্রপতি হতে বয়স লাগে পঁয়ত্রিশ বছর। এই দশ বছরের পার্থক্য মনে রাখলে সাংবিধানিক পদের বয়স সংক্রান্ত বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অনুচ্ছেদগুলো বিশেষ করে সরকার গঠন ও জনপ্রতিনিধি নির্বাচন সংক্রান্ত ধারাগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধানের বিভিন্ন পদের বয়সসীমা সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0