প্রশ্নের বর্ণনা

a ক্রিয়াপদ
b ক্রিয়া বিশেষ্য
c দ্বিত্ব বিশেষণ
d ক্রিয়া বিশেষণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বিত্ব বিশেষণ ১. কেন সঠিক: দ্বিত্ব বিশেষণ হলো যখন কোনো বিশেষণ পদ পরপর দুবার ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ বা তীব্র ভাব প্রকাশ করে। এখানে 'খাই খাই' শব্দটি দ্বারা কেবল সাধারণ খাওয়া বোঝায় না, বরং অতিরিক্ত বা তীব্র খাওয়ার ইচ্ছাকে বিশেষায়িত করছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: একই শব্দ দুবার ব্যবহার হয়ে যদি বিশেষণের কাজ করে তবে তাকে দ্বিত্ব বিশেষণ বলে। বাক্যে এই দ্বিত্ব পদটি কর্তার অবস্থার তীব্রতা প্রকাশ করতে বিশেষণ হিসেবে কাজ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভয়ে তার মুখ ছম ছম করছে। ব্যাখ্যা: এখানে ছম ছম শব্দটি ভয়ের তীব্রতা প্রকাশ করতে দ্বিত্ব বিশেষণ হিসেবে বসেছে। উদাহরণ ২: রোগটি শোকে তার বুক টন টন করছে। ব্যাখ্যা: এখানে টন টন শব্দটি ব্যথার তীব্রতা প্রকাশ করতে দ্বিত্ব বিশেষণ হিসেবে কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রিয়াপদ — খাই খাই সরাসরি কোনো সমাপিকা বা অসমাপিকা মূল ক্রিয়াপদ নয়, তাই এটি ভুল। B) ক্রিয়া বিশেষ্য — ক্রিয়া থেকে উৎপন্ন বিশেষ্য পদ এটি নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। D) ক্রিয়া বিশেষণ — এটি সরাসরি কোনো ক্রিয়ার স্থান কাল বাীতি নির্দেশ করছে না, তাই এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: কোনো অনুভূতি বা অবস্থার ভাব বোঝাতে একই শব্দ পরপর দুবার বসলে তা সাধারণত দ্বিত্ব বিশেষণ হয়। বাক্যের কর্তা কী ধরনের মানসিক বা শারীরিক অবস্হায় আছে তা বুঝতে এই শব্দগুলো সাহায্য করে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ দ্বিত্বের রূপ দেখে পদের নাম নির্ণয় করতে বলা হয়। দ্বিত্ব শব্দগুলো কখনো বিশেষণ আবার কখনো ভাববাচক বিশেষ্য হিসেবে কাজ করতে পারে, তাই বাক্যের অর্থ বুঝে উত্তর করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0