প্রশ্নের বর্ণনা

a বিশ্লেষণ
b গুণবাচক
c ক্রিয়াপদ
d ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - 'অন' প্রত্যয় যোগে সাধারণত কোনো কাজের ভাব বা অবস্থাকে বোঝানো হয়, যা ব্যাকরণে ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য হিসেবে পরিচিত। - ধাতু বা শব্দের সঙ্গে এই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কোনো কাজের নাম প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয়ের নিয়মে ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে 'অন' (বা অনটু) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য বা ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠিত হয়। - এটি মূলত কাজ করা বা হওয়ার ভাবকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √গম + অন = গমন ব্যাখ্যা: এখানে গমন একটি ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য যা যাওয়া কাজকে বোঝায়। উদাহরণ ২: √পাঠ + অন = পঠন ব্যাখ্যা: এখানে পঠন একটি ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য যা পড়া কাজকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্লেষণ — এটি 'অন' প্রত্যয় যোগে গঠিত ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য হলেও অপশন হিসেবে এটি সঠিক নয় কারণ এটি নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ শ্রেণি নির্দেশ করে না। B) গুণবাচক — গুণবাচক বিশেষ্য বলতে কোনো বস্তুর দোষ বা গুণ বোঝায়, যা 'অন' প্রত্যয়ের মূল কাজ নয়। C) ক্রিয়াপদ — ক্রিয়াপদ বাক্যের সমাপিকা বা অসমাপিকা ক্রিয়াকে বোঝায়, কিন্তু 'অন' প্রত্যয়যুক্ত শব্দ বিশেষ্য পদ হয়। D) ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'অন' প্রত্যয়যুক্ত শব্দ সবসময় ক্রিয়ার ভাব বা কাজকে নাম হিসেবে প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হলে তা সর্বদা ক্রিয়ার নাম বা ভাব প্রকাশ করে, তাই এটি ক্রিয়াবাচক বা ভাববাচক বিশেষ্য। - পরীক্ষার হলে 'অন' দেখলে কাজের নাম বা ভাববাচক বিশেষ্য হিসেবে তা চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ চেনার ক্ষেত্রে মূল ধাতু ও প্রত্যয়ের রূপ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0