প্রশ্নের বর্ণনা

a ক্ষুৎ + আর্ত
b ক্ষুধা + আর্ত
c ক্ষুধা + ঋত
d ক্ষুধ + আর্ত
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুধা + ঋত ১. কেন সঠিক: - ক্ষুধা শব্দের শেষে থাকা আ এবং ঋত শব্দের শুরুতে থাকা ঋ মিলে ঋ-কার হয়েছে এবং পূর্ববর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। - এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে অ-কার কিংবা আ-কারের পর ঋ থাকলে উভয় মিলে ঋ-কার হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - অ-কার বা আ-কারের পর ঋ থাকলে উভয়ের স্থানে ঋ-কার হয় এবং তা আগের ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। - এই নিয়মে গঠিত শব্দে পূর্বপদের শেষ স্বরধ্বনি এবং পরবর্তী পদের প্রথম স্বরধ্বনি একত্রিত হয়ে নতুন রূপ নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা + ঋষি = রাজর্ষি ব্যাখ্যা: এখানে রাজার আ এবং ঋষির ঋ মিলে ঋ-কার হয়ে রাজর্ষি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + ঋষি = মহর্ষি ব্যাখ্যা: এখানে মহায়ের আ এবং ঋষির ঋ মিলে ঋ-কার হয়ে মহর্ষি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষুৎ + আর্ত — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হতে পারে কিন্তু ক্ষুধা শব্দের মূল রূপের সঙ্গে মিল নেই। B) ক্ষুধা + আর্ত — এখানে আ এবং আ মিলে আ হওয়ার কথা কিন্তু ক্ষুধার্থ শব্দে র-ফলা ও রেফ বা ঋ-কার জনিত পরিবর্তন রয়েছে যা এখানে নেই। D) ক্ষুধ + আর্ত — ক্ষুধ কোনো প্রমিত শব্দমূল নয় এবং এটি সঠিক স্বরসন্ধির নিয়ম মানে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - অ বা আ এর পরে ঋ থাকলে তাকে আর্ষ বা ঋ-কার জাতীয় সন্ধি হিসেবে মনে রাখতে পারো। - ক্ষুধা শব্দের সঙ্গে ঋত যোগ করলে ক্ষুধার্থ হয় এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি বারবার চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই জাতীয় ব্যতিক্রমী স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে। - রাজর্ষি এবং মহর্ষি শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ একই নিয়মে সাধিত হয় তাই এগুলো একসঙ্গে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0